Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

সেক্স চ্যাটের লোভে পাকিস্তানে তথ্য পাচার করে ধৃত বায়ুসেনার ক্যাপ্টেন

আইএসআইয়ের পাতা 'হানি ট্র্যাপে' ফেঁসে গোপন তথ্য ইসলামাবাদে পাঠাতেন ধৃত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৮, ১১:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৮, ১১:৫৪

options
link
সেক্স চ্যাটের লোভে পাকিস্তানে তথ্য পাচার করে ধৃত বায়ুসেনার ক্যাপ্টেন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের সুন্দরী মহিলাদের সঙ্গে সেক্স চ্যাটের লোভ সামলাতে পারেননি ৫১ বছরের অরুণ মারওয়াহা। ভারতীয় বায়ুসেনার এই গ্রুপ ক্যাপ্টেন আপাতত দিল্লি পুলিশের হেফাজতে। সুন্দরীদের সঙ্গে যৌন উত্তেজক কথাবার্তা বলার পরিবর্তে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে পাচার করতেন এ দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গুরুত্বপূর্ণ নথি। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল তাঁকে তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে।

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বায়ুসেনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় নথির ছবি মোবাইলে তুলে পাঠাতেন ইসলামাবাদে। দীর্ঘদিন বায়ুসেনায় কর্মরত থাকায় তিনি জানতেন, যে কোন কোন ফাইলে নথিবদ্ধ রয়েছে সেনার যুদ্ধকালীন কলাকৌশল, সামরিক ঘাঁটির অবস্থান ও গোলাবারুদের ভাণ্ডারের হল হকিকত। বায়ুসেনার সদর দপ্তরে নিজের আইডি কার্ড ব্যবহার করে ঢুকে পড়ে ফোনে তুলে রাখতেন সেই সব নথির ছবি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিতেন পাক গুপ্তচরদের কাছে।

Advertisement

[প্রতিরক্ষামন্ত্রী সুখোইয়ে সওয়ার হলেও ঢাকা পড়ছে না বায়ুসেনার করুণ অবস্থা]

তবে এরকম বেশিদিন চলতে দেননি বায়ুসেনার গোয়েন্দারা। চরবৃত্তির অভিযোগে বায়ুসেনার গোয়েন্দারাই অভিযুক্ত অফিসারকে গ্রেপ্তার করেন। তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, অনুমান, ওই অফিসারকে সুন্দরী মহিলাদের সঙ্গে সেক্স চ্যাট, নগ্ন ছবি পাঠানোর লোভ দেখিয়ে পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তিতে নিয়োগ করা হয়। যাকে পোশাকি ভাষায় বলে ‘হানি ট্র্যাপ’। যে মহিলাকে ব্যবহার করে এই গোটা পরিকল্পনার ছক কষা হয়, এখন তাকেও খুঁজছে বায়ুসেনার ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। অভিযুক্ত নিজের দোষ কবুল করলে তাঁকে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ অবশ্য এখনও এই তদন্তের বিষয়ে কোনও কথা প্রকাশ করেনি।

সূত্রের খবর, বায়ুসেনার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা শাখার রুটিন নজরদারিতে ধরা পড়ে ওই ‘পাক গুপ্তচর’। তাকে বেশ কিছু ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে নড়াচড়া করতে দেখা যায়। যেগুলি ব্যবহার করার ছাড়পত্র তার ছিল না। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, ওই ডিভাইসগুলি ব্যবহার করেই ধৃত ব্যক্তি পাক সেনার ও আইএসআইয়ের কাছে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করত। ফেসবুকের মাধ্যমেও পাক চাঁইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত ধৃত বায়ুসেনার অফিসার। তাঁকে পাতিয়ালা হাউস কোর্টে তোলা হলে তাঁকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক দীপক শেহরাওয়াত। লোধি কলোনিতে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেলে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁর স্মার্টফোনটি পুলিশ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে।

[পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে ধৃত বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.