BREAKING NEWS

১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  শনিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লাদাখে ধৃত চিনা জওয়ানকে ফেরানো হচ্ছে না এখনই, বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: October 20, 2020 5:29 pm|    Updated: October 20, 2020 5:54 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসাবধানবশত হোক বা অন্য যে কোনও কারণে, ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করায় সহজেই ধরা পড়ে গিয়েছিলেন চিনের সেনা জওয়ান ওয়াং ইয়া লং। কিন্তু তাঁকে ততটা সহজে ছাড়া হচ্ছে না। সূত্রের খবর, সোমবার লাদাখের ডেমচক থেকে ধৃত চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (PLA) জওয়ানকে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। আপাতত চিনা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব চলছে।

সোমবার বেলার দিকে লাদাখের (Ladakh) ডেমচক এলাকা থেকে ভারতীয় সেনার হাতে ধরা পড়ে লালফৌজের জওয়ান ওয়াং ইয়া লং। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথিতে জানা যায়, চিনের সাংঝিয়ান প্রদেশের বাসিন্দা ওয়াং লালফৌজের করপোরাল ব়্যাঙ্কের আধিকারিক। মূলত সেনাবাহিনীর আগ্নেয়াস্ত্র মেরামতির দায়িত্ব রয়েছে তাঁর উপর। প্রোটোকল মেনে ধৃত সেনা জওয়ানকে গরম পোশাক, অক্সিজেন, খাবারের ব্যবস্থা করে লাদাখে মোতায়েন ভারতীয় সেনাবাহিনী। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, ওই জওয়ান হয়তো অসাবধানতাবশত ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছিলেন। সরকারি নিয়ম পালনের পর তাঁকে লালফৌজের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

[আরও পড়ুন: বড় হামলার ছক! লস্কর ও হিজুবল জঙ্গিদের কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের নির্দেশ দিয়েছে ISI]

কিন্তু মঙ্গলবার সেনাসূত্রে খবর মেলে, সহজে মোটেই ছাড়া হচ্ছে না ওয়াংকে। কী কারণে তিনি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছিলেন, তা বিস্তারিত জানার চেষ্টা ইতিমধ্যেই চিনা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আদৌ অসাবধানতাবশত নাকি গোপন নজরদারির জন্য তিনি LACতে টহল দিতে দিতে ঢুকে পড়েছেন এদেশের ভূখণ্ডে, তা জানার চেষ্টা চলছে। ভাষা যাতে কোনও বাধা তৈরি করতে না পারে, তার জন্যই সরাসরি চিনের স্থানীয় ভাষা জানা ব্যক্তিদের মারফত চলছে জেরা।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে বড় সাফল্য, ৪৮ ঘণ্টায় খতম চার জেহাদি]

এদিকে, চিনের সেনাবাহিনী সূত্রে খবর, তাঁদের আশা যে খুব দ্রুতই LAC’র চুশুল-মলডো পয়েন্ট দিয়ে ভারত থেকে দেশে ফিরে আসবেন ওয়াং ইয়া লং। তাঁর গতিবিধির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তবে লালফৌজের সেই আশা যে বাস্তবায়িত হবে না, তা আজ বেশ বুঝিয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement