সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীর থেকে সিকিম। একদিকে চিন, অপরদিকে পাকিস্তান। যেকোনও মুহূর্তে যুদ্ধের দামামা বেজে উঠতে পারে। শুরু হতে পারে রক্তক্ষয়ী লড়াই। তাই আর অপেক্ষা নয়, এবার স্বাধীনতা দিবসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করতে চলেছে ভারত। তবে সে যুদ্ধ কাশ্মীর বা পাঞ্জাব সীমান্তে হবে না। ওই টক্কর গোলাবারুদ বা মিসাইলের ব্যবহারের প্রশ্ন নেই। এই লড়াই হবে ‘সাইবার’ দুনিয়ায়। আগামিকাল ১৫ আগস্ট, দেশজুড়ে পালন করা হবে স্বাধীনতা দিবস। এদিনই পাকিস্তানের সমস্ত ওয়েবসাইটে ভয়ানক ‘ব়্যানসমওয়্যার’ হামলা চালাবে ভারতীয় হ্যাকাররা। এমনটাই দাবি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম।
[সংবাদপত্রের নিখোঁজ পাতার সূত্রেই কিনারা ‘বিলিয়ন ডলার’ মার্ডার কেসের]
জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের প্রায় ১ হাজার সরকারি ও বেসরকারি ওয়েবসাইটে হামলা চালাবে ভারতীয় হ্যাকাররা। পাক সেনা, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য-সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নিশানায় হানা দিয়ে পাকিস্তানে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছে হ্যাকাররা। উল্লেখ্য, চলতি মাসের তিন তারিখ পাক সরকারের একটি ওয়েবসাইটে হামলা চালায় ভারতীয় হ্যাকাররা। ওই সাইট খুললেই বেজে উঠছিল ভারতের জাতীয় সঙ্গীত। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, নেট দুনিয়ায় অহরহ ভারতীয় ও পাকিস্তানি হ্যাকারদের লড়াই চলছে। বিশেষ করে দু’দেশের স্বাধীনতা দিবসের দিন তা চরম আকার ধারণ করার জোর সম্ভাবনা। একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই ব়্যানসমওয়্যার এক ধরনের ম্যালওয়্যার৷ বিশেষ একটি .exe ফাইল মেলের সঙ্গে অ্যাটাচড হয়ে থাকতে পারে৷ যা খুললেই এটি আপলোড হয়ে যায় সিস্টেমে৷ এই ম্যালওয়্যার লক করে দিতে পারে কমপিউটরের হার্ড ড্রাইভ ও নেটওয়ার্ক৷ ‘বিটকইন’-এর মাধ্যমে মুক্তিপণ বা ‘ব়্যানসম’ দিলেই সচল হবে ওই কম্পিউটারগুলি। তাই স্বাধীনতা দিবসের দিন পাকিস্তানের ওয়েবসাইটে ‘ব়্যানসমওয়্যার’ হামলা চালানোর জন্য তৈরি ভারতীয় হ্যাকাররা।
[ভারতীয় যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন চিনা বিমান সংস্থার কর্মীরা!]
সম্প্রতি পাকিস্তানের বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট হামলা চালিয়ে তা কার্যত বিকল করে দেয় ভারতীয় হ্যাকাররা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যদি সেনা, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য ও পরিবহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে হামলা হয় তাহলে ওই দেশে ছড়িয়ে পড়বে প্রবল আতঙ্ক। গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে তা সামাল দিতে পাকিস্তানের অবস্থা শোচনীয় হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য, ইউক্রেন থেকে এই ভাইরাসের আক্রমণ শুরু হয়। যেখানে যে কোনও সিস্টেমের কমপিউটর খুললেই অর্থ দাবি করা হয়েছিল। কম্পিউটারের জন্য ‘মুক্তিপণ’ না দিলে সে সিস্টেম আর চালু করা যাবে না। দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়েছিল বিভিন্ন দেশে। এরপরই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া শুরু হয়। ভাইরাস আক্রমণের মাধ্যমে যাতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সাইবার দুষ্কৃতীরা হাতিয়ে না নিতে পারে, তার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছিল।ভারতেও কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত থাবা বসিয়েছিল ব়্যানসমওয়্যার।
সর্বশেষ খবর
-
দলে আর জায়গা নেই, জানিয়ে দিয়েছে বোর্ড! রবিবারই শেষ ওয়ানডে খেলবেন রোহিত?
-
দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’, ফ্ল্যাট দখলের অভিযোগে পুলিশের জালে বিজেপি নেতা
-
ঋত-তৃণমূলে এবার ব্রাত্যও? ঘাসফুল শিবিরে ভাঙনের মরশুমে তুঙ্গে জল্পনা
-
ফুলবাগানের মন্দির তহবিল থেকে ‘চুরি’ ৪৪ লক্ষ, অভিযোগ দায়ের কমিটির
-
আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাস করতে গিয়ে মৃত্যু! বাংলাদেশে মর্মান্তিক পরিণতি তরুণের