Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬
Indian Navy

‘ড্রাগন’ বধে নৌসেনার প্রস্তুতি, আসছে আরও ৬টি অত্যাধুনিক সাবমেরিন

ভারত মহাসাগরে ক্রমশ আগ্রাসী হচ্ছে চিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২১, ১৬:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২১, ১৬:০৪

options
link
‘ড্রাগন’ বধে নৌসেনার প্রস্তুতি, আসছে আরও ৬টি অত্যাধুনিক সাবমেরিন zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত মহাসাগরে ক্রমশ আগ্রাসী হচ্ছে ‘ড্রাগন’। ‘আঙ্কল স্যাম’কে সমানে টেক্কা দিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমায় সদর্পে টহল দিচ্ছে চিনা (China) রণতরী। ফলে চিন্তার ভাঁজ বাড়ছে ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে। এহেন পরিস্থিতিতে সাগরে লালফৌজকে টেক্কা দিতে আরও ছ’টি সাবমেরিন কিনতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)।

[আরও পড়ুন: জামিন পেয়েই প্রধানমন্ত্রীকে খুনের হুমকি একাধিক মামলায় জড়িত আসামির! গ্রেপ্তার করল দিল্লি পুলিশ]

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, নতুন ছ’টি ডুবোজাহাজ তৈরির জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার ঘোষণা করতে চলেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। শুক্রবার এক বৈঠকে এই সংক্রান্ত প্রস্তাব পাশ করতে পারে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের ‘ডিফেন্স একুইজিশন কাউন্সিল’। জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘পি ৭৫ ইন্ডিয়া’ (P 75 India)। এর অন্তর্গত আরও ছ’টি নতুন ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন তৈরি করা হবে। স্করপেন ক্লাস সাবমেরিনের উত্তরসূরী হবে এই ডুবিজাহাজগুলি। বর্তমানে ফ্রান্সের সঙ্গে যৌথভাবে মুম্বইয়ের মাঝগাওঁ ডকইয়ার্ডে স্করপেন ক্লাসের সাবমেরিন তৈরি হচ্ছে। গত মার্চ মাসেই দেশের সামরিক শক্তি আরও বাড়িয়ে নৌসেনায় শামিল হয়েছে অত্যাধুনিক সাবমেরিন আইএনএস করঞ্জ (INS Karanj)। এটি ভারতের তৃতীয় ‘স্করপেন ক্লাস ডিজেল-ইলেকট্রিক’ সাবমেরিন (Submarine)।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে চিনা সেনার হাতে প্রায় ৬৫টি সাবমেরিন রয়েছে। যার মধ্যে ৮ থেকে ১০টি পারমাণবিক শক্তিচালিত। তুলনায় ভারতের হাতে এই মুহূর্তে কর্মক্ষম মাত্র ৮টি সাবমেরিন রয়েছে। তবে ভারতের হাতেও পারমাণবিক সাবমেরিন অরিহন্ত রয়েছে। অরিহন্তে রয়েছে ‘কে-১৫’ (সাগরিকা) আণবিক মিসাইল৷ প্রায় ৭৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র৷ আক্রমণের জন্য পর্যাপ্ত না হলেও ভারতীয় নৌবহর দেশের জলসীমা রক্ষার জন্য সম্পূর্ণ তৈরি। এবার সেই শক্তি আরও বাড়িয়ে তুলতে তৎপর হয়েছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির সরকার।    

[আরও পড়ুন: প্রতিশ্রুতি দিয়েও রাখেনি সরকার, করোনা আবহেই পদত্যাগ মধ্যপ্রদেশের ৩ হাজার জুনিয়র ডাক্তারের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.