৬ আশ্বিন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ভারত মহাসাগরে তোমাদের গতিবিধি আমাদের নজর এড়িয়ে যায়নি। তোমাদের উপর প্রতি মুহূর্তে নজর রাখছি আমরা।’ এভাবেই ভারত মহাসাগরের কাছাকাছি এসে পড়া তিনটি চিনা রণতরী সমৃদ্ধ নৌবহরকে ‘স্বাগত’ জানাল ভারত। ভারতীয় নৌসেনার একটি টুইটকে ঘিরে ফের টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

ভারতীয় নৌসেনা অবশ্য এই টুইটকে কোনও হুঁশিয়ারি বলে মানতে নারাজ। তাদের দাবি, খানিকটা কৌতুকের ছলেই চিনকে বুঝিয়ে দেওয়া হল, যে ভারত মহাসাগরে চিনা রণতরীর গতিবিধি এ দেশের নৌসেনার নখদর্পণে। আর একটি টুইটে নৌসেনা জানিয়েছে, ভারতের জলসীমাকে নিশ্ছিদ্র রাখতে অন্তত ৫০টি রণতরী ২৪x৭ নজর রেখে চলেছে ভারত মহাসাগরে। ভারতীয় নৌসেনার বক্তব্য, ‘বিশাল এই এলাকাকে নিরাপদ রাখা আমাদের প্রাথমিক কর্তব্য।’

[নোট বাতিলের স্মৃতি উসকে এটিএমে বাড়ন্ত নগদ, তীব্র সমালোচনা মমতার]

এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে চিনা রণবহর কেন ভারতের জলসীমার কাছাকাছি চলে এল? তাও আবার তিনটি রণতরী সমৃদ্ধ। আসলে চিনের তিনটি রণতরী জলদস্যুদের জাহাজকে তাড়া করছিল। বেজিংয়ের অ্যান্টি-পাইরেসি এসকর্ট ফোর্সের রণতরী তিনটি ভারত মহাসাগর সংলগ্ন এলাকায় জলদস্যুদের তাড়া করতে গিয়ে এ দেশের জলসীমার কাছাকাছি চলে আসে। এরকম অভিযান এই প্রথম নয়। চিনা নৌসেনা প্রায়ই এরকম জলদস্যু-বিরোধী অভিযান চালায়। চিনা জলসীমায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা অটুট রাখতে রণতরী ও ডুবোজাহাজ নামায় লালফৌজ।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতীয় নৌসনার ওই বার্তা আসলে চিনকে নিজেদের উপস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া। নৌসেনা প্রধান সুনীল লাম্বা দিনকয়েক আগেই সতর্ক করেছিলেন, ভারতীয় জলসীমা সংলগ্ন অঞ্চলে চিনা রণতরীর যাতায়াত বাড়ছে। লাম্বা এও জানিয়েছিলেন, জলদস্যু তাড়াতে আসার নাম করে বেশ কিছু জায়গায় গোপনে ঘাঁটি গড়ছে চিন। ভারতে তাই সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। আর ভারতীয় সেনা যে জলপথে সর্বদা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুত রয়েছে, সে কথাও ফের একবার প্রমাণিত হয়ে গেল।

[পাশে আছে কেন্দ্র, মাসে ২১০ টাকা জমালেই বয়সকালে পেনশন মিলবে ৫০০০ টাকা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং