BREAKING NEWS

১৯ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ৫ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

১২০ দিন আগেই করা যাবে টিকিট সংরক্ষণ, নয়া ঘোষণা রেলের

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: May 29, 2020 2:03 pm|    Updated: May 29, 2020 2:03 pm

An Images

সুব্রত বিশ্বাস: যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে এবার তৎকাল টিকিট পরিষেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিল রেল। পাশাপাশি, সফরের ১২০ দিন আগে থেকে ট্রেনের টিকিট সংরক্ষণ করতে পারবেন যাত্রীরা। মে মাসের ৩১ তারিখ থেকে এই সুবিধা পাবেন যাত্রীরা।

[আরও পড়ুন: পঙ্গপাল তাড়াতে জমিতে ডিজে মিউজিক বাজালেন চাষিরা! নেটদুনিয়ার চর্চায় ভাইরাল ভিডিও]

গত ২২ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত রেল যে ১৫টি রাজধানী স্পেশ্যাল ও ১০০টি মেল এক্সপ্রেস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাণিজ্যিক কারণে সেগুলিতে বুকিংয়ের কিছু পরিবর্তন এনেছে। বৃহস্পতিবার রেলবোর্ড নির্দেশে জানিয়েছে, টিকিট সংরক্ষণের সময় এক মাসের পরিবর্তন করে ১২০ বা প্রায় চার মাস করা হচ্ছে। অর্থাৎ চার মাস আগেই টিকিট সংরক্ষণ করা যাবে। পাশাপাশি ট্রেনগুলিতে লাগেজ ও পার্সেল বুকিং হচ্ছিল না। এবার তাও বুকিং হবে। আগামী ৩১ মে থেকে টিকিট ও পার্সেলে এই বুকিং ব্যবস্থা শুরু হবে বলে রেলবোর্ড নির্দেশে বলেছে। দু’টি ক্ষেত্রেই রেলের ভাঁড়ার পূরণের চেষ্টা চলছে বলে মনে করেছেন রেলকর্মীরা। টিকিট বুকিংয়ের চার মাসের টাকা যেমন কোষাগারে ঢুকবে, তেমনই ভাবে ট্রেনে আট টন এসএলআর ও ১৬ থেকে ২২ টনের ভিপিতে পণ্য বুকিংয়ে প্রতি ট্রেনে দের থেকে তিন লক্ষ টাকা আয় হবে। কোরোনা ত্রাসের মধ্যেও যে রেল আয়ের পরিধি বাড়াতে ব্যাস্ত তা স্পষ্ট। কমার্সিয়াল বিভাগের কর্মীদের কথায়, হাওড়া কোয়ারেন্টাইন জোন। তার মধ্যে রেলের এই পরিকল্পনায় কর্মীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, শ্রমিক স্পেশালের ক্ষেত্রেও একাধিক বিধিনিষেধ জারি করেছে রেল। তবে তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে বলে দাবি। খুব জরুরি না হলে ট্রেনে যাত্রা করতে নিষেধ করেছেন রেলের শীর্ষ অধিকারিকরা। যে সকল শ্রমিক আগে থেকে নানা রোগে যেমন হার্ট, ক্যানসার, শ্বাসকষ্ট, সুগার, পাশাপাশি ৬৫ বছরে বেশি ও ১০ বছরের কম বয়সের শিশুরা একান্ত প্রয়োজন ছাড়া যেন ট্রেনে সফর না করেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের বরাদ্দ ট্রেনে বাড়ি ফিরতে গিয়ে মারা গিয়েছেন বেশ কয়েকজন। যার মধ্যে মজাফফরপুর স্টেশনে মৃত মায়ের পাশে দেড় বছরের শিশুর অপেক্ষা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তার পরই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নেয়।

[আরও পড়ুন: সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কায় বন্ধ দিল্লি-গুরুগ্রাম সীমান্ত, বিক্ষোভে শামিল শতাধিক শ্রমিক]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement