সুব্রত বিশ্বাস: পুজো আসছে। কাছে পিঠে ভ্রমণের স্বর্গরাজ্য পুরী। আর বাঙালির অমোঘ টান সেখানেই। এই আশায় যেন বাদ সাধতে না পারে অপরাধীরা। এবার অপরাধ রুখতে পুরীর ট্রেনগুলিতে তাই কড়া নজরদারিতে আনছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল। ওই রেলের আরপিএফ আইজি শরৎচন্দ্র পারহী বলেন, ‘‘পুরীর যাত্রাপথে বেশ কিছু অপরাধপ্রবণ এলাকা রয়ে গিয়েছে। যেমন খড়গপুর, বালেশ্বর, ভদ্রক। এছাড়া ভিন্ন রুটে টাটা, রৌরকেল্লা, ঝাড়সুগুদা। অপরাধীদের আনাগোনা রুখতে স্টেশনগুলিতে সাদা পোশাকের বেশি সংখ্যক আরপিএফ মোতায়েন রাখা হবে। এই কর্মীরাই নজর রাখবে ভিড় ট্রেন ও স্টেশনে।’’
[মূল্যবৃদ্ধির গুঁতো! ডিজেল ইঞ্জিন বাতিল করার পথে ভারতীয় রেল]
পাশাপাশি পুরীগামী রাতের ট্রেনে এসকর্টের সংখ্যা বাড়ানো হবে। দাগি অপরাধীদের ছবি সংগ্রহ করে অ্যালবাম বানানো হয়েছে। যা প্রতিটি স্টেশনে আরপিএফ ও জিআরপির কাছে পাঠানো হচ্ছে। অপরাধীর ছবির সঙ্গে মিল দেখা মাত্র তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সিসিটিভিতে নজর রাখা হবে। অপরাধ সংগঠিত হওয়ার অভিযোগ এলেই সেই জায়গার ফুটেজ খতিয়ে দেখে তল্লাশি চালানো হবে। গেজেটেড অফিসারদের সারপ্রাইজ চেকিংয়ে পাঠানো হবে।
[এবার ট্রেনের কামরায় মিলবে ওয়াই-ফাই, নজর সিসিটিভির]
যাতে বিভাগীয় কর্মীরাও সর্বদা সজাগ থাকেন। ভিড়ের সুযোগে মহিলা কামরায় পুরুষ যাত্রী উঠলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সময়ে ট্রেন ও স্টেশনগুলিতে বৃহন্নলাদের উৎপাত বেশি হয়। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। অযথা চেন পুলিং হলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে। পুজোর দিনগুলিতে আনন্দ যাত্রায় যাতে কোনওরকম ব্যাঘাত না ঘটে সেদিকেই লক্ষ রাখা হবে আরপিএফের প্রধান কাজ। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য যাত্রায় এই ব্যবস্থা বলে আইজি জানান।
সর্বশেষ খবর
-
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিস দমকলের, আদালতের স্থগিতাদেশেও কাটছে না জট
-
নাচে-গানে হুল্লোড়! হাতি তাড়াতে মধ্যরাতে বসছে আসর, এক অন্য ছবি লালগড়ে
-
অত্যাধুনিক একে-২০৩ রাইফেলের গুলি সরবরাহ করবে আদানির সংস্থা, বিরাট চুক্তি সম্পন্ন
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির