সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীকে মিলিয়ে সংযুক্ত কমান্ড তৈরি হতে চলেছে দেশের সবক’টি প্রান্তে। এই সংযুক্ত কমান্ডের অধীনে তিন বাহিনীর সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র, যানবাহন ও লোকবল একই ছাতার তলায় নিয়ে আসা হবে। দেশের সামরিক বাহিনীর যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি আরও বাড়াতেই এই কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত এই কাঠামোগত পরিবর্তনের কথা জানান।
এদিন রাওয়াত বলেন, ‘‘সামরিক বাহিনীর খরচ কমিয়ে আনতে, লোকবল সংহত করতে এবং তিনটি বাহিনীকে একটি সংযুক্ত ও অবিচ্ছিন্ন সশস্ত্র বাহিনীতে পরিণত করতেই ‘ইন্টিগ্রেটেড মিলিটারি কমান্ড’ তৈরি করা হচ্ছে।’’ এখন ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করে। দেশের বিভিন্ন অংশে স্থলসেনা, নৌসেনা ও বিমান বাহিনীর আলাদা আলদা কমান্ড রয়েছে। যুদ্ধের সময় একমাত্র এদের মধ্যে একটা সমন্বয় তৈরি করা হয়। এখন দেশের সব প্রান্তেই তিনটি বাহিনীর সমস্ত শক্তিকে একজায়গায় এনে ‘থিয়েটার কমান্ড’ তৈরি করা হবে। বিশ্বের বড় দেশগুলি এইরকম ‘থিয়েটার কমান্ড’ ব্যবস্থার মধ্যে দিয়েই সামরিক বাহিনীকে পরিচালনা করে।
সংযুক্ত এই থিয়েটার কমান্ডের বিষয়ে ইতিমধ্যে বিপিন রাওয়াত তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গেই আলোচনা করেছেন। অভিন্ন বাহিনী হিসাবে কাজ করার জন্য এই তিন বাহিনীর মধ্যে কয়েকদফা এক্সারসাইজও হয়ে গিয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর। সমর বিশারদদের মতে, তিন বাহিনীকে এইভাবে এক জায়গায় এনে সংযুক্ত কমান্ড তৈরির কাজটি হল, ভারতের সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কাঠামোগত পরিবর্তন। বস্তুত, স্বাধীনতা দিবসের দিন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ তথা সেনা সর্বাধিনায়ক পদটি ঘোষণার মধ্য দিয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সংযুক্ত কমান্ডের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। অভিজ্ঞতা ও সমর কৌশল কাজে লাগিয়ে সেই ঘোষণাকেই বাস্তবায়িত করছেন বিপিন রাওয়াত।
[আরও পড়ুন: ‘বাংলা পাকিস্তান হয়ে গিয়েছে’, লোকসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারকে বেনজির আক্রমণ]
সর্বশেষ খবর
-
পরকীয়ার টান, প্রেমিকের ব্যবসা বাঁচাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে গয়না চুরির অভিনয় বধূর! তারপর…
-
এবার রেলপথে জুড়বে ভারত-রাশিয়া! মধ্যপ্রাচ্যকে বাইপাস করে ব্লুপ্রিন্ট সাজাচ্ছে মস্কো
-
লক্ষ্য ১৫ আগস্ট! কাঁটাতার দিতে নদিয়া সীমান্তে ১২৭ একর জমি হস্তান্তরের পথে প্রশাসন
-
অভয়ার মৃত্যুতে পুনর্তদন্ত, শ্মশানঘাটে কী হয়েছিল? বারাকপুরের সিপিকে খতিয়ে দেখার নির্দেশ শুভেন্দুর
-
মক্কেল নাকি ন্যায়বিচার, কোনটা বেছে নেবে ‘অ্যাডভোকেট অচিন্ত্য আইচ’?