৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিমানবন্দরেই পড়ে রইল মালপত্র, যাত্রীদের নিয়ে ছুটল ইন্ডিগোর বিমান

Published by: Tanujit Das |    Posted: September 17, 2019 1:00 pm|    Updated: September 17, 2019 1:02 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিমান ও বিমানবন্দরে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় যাত্রীদের৷ কখনও সঠিক সময়ে বিমান না ছাড়া তো কখনও দুর্ব্যবহার, বিমান সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে অতীতে একাধিকবার বিভিন্ন অভিযোগে সরব হতে দেখা গিয়েছে যাত্রীদের৷ তবে গত সোমবার দিল্লি থেকে ইস্তানবুলগামী ইন্ডিগো সংস্থার একটি বিমানে যা ঘটেছে, তা বোধহয় অতীতে হয়নি৷ যাত্রীদের নিয়ে নিরাপদেই ইস্তানবুল পৌঁছায় বিমানটি৷ কিন্তু পৌঁছায়নি কোনও যাত্রীর মালপত্র৷ কারণ, সমস্ত মালপত্র দিল্লিতে ফেলেই ইস্তানবুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল বিমান ৬ই ১১৷ বিমানবন্দরের নেমে যাত্রীরা জানতে পারেন, তাঁরা পৌঁছলেও, আসেনি কোনও মালপত্র৷ ফলে বিমান সংস্থার এহেন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দেন৷

[ আরও পড়ুন: এবার শিব সেনায় উর্মিলা! উদ্ধবের ব্যক্তিগত সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা ]

বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন চিন্ময় দাবকে নামের এক টুইটর ব্যবহারকারী৷ ইন্ডিগোর বিমান ৬ই ১১-এ করে তিনিও দিল্লি থেকে ইস্তানবুল যান৷ কিন্তু বিমান থেকে নামতেই সংস্থার তরফে তাঁর এবং প্রত্যেক যাত্রীর হাতে একটি করে চিরকুট ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ৷ সেই চিরকুটেরই ছবি আপলোড করে টুইটারে চিন্ময় বাবু লেখেন, ‘‘ইন্ডিগোর বিমান ৬ই ১১ চড়ে গতকাল সন্ধ্যায় দিল্লি থেকে ইস্তানবুল আসি৷ যখন মালপত্রর জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তখন আমরা এই কাগজটি হাতে পাই৷ বিমানটিতে যাত্রীদের কোনও মালপত্রই তোলা হয়নি বলে জানান হয়৷ একজন যাত্রীও নিজেদের মালপত্র পাননি৷’’ ইন্ডিগো সংস্থাকে ট্যাগ করে দ্বিতীয় টুইটে ওই ব্যক্তি লেখেন, ‘‘ইন্ডিগোর মতো একটা বড় বিমান সংস্থা কীভাবে এই ভুল করতে পারে? যাত্রীদের মালপত্র রেখে কীভাবে চলে আসতে পারে? দিল্লিতে বিভিন্ন দায়িত্বে বসে থাকা ব্যক্তিরা কী করছিলেন?’’ এখানেই শেষ নয়, এই ঘটনার পর থেকেই টুইটারে #shameonindigo ট্রেন্ড হতে থাকে৷ বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন একাধিক যাত্রী৷

[ আরও পড়ুন: ‘জাল্লিকাট্টুর থেকেও ভয়ংকর প্রতিবাদ হবে’, হিন্দি চাপানো নিয়ে অমিতকে হুঁশিয়ারি কমলের ]

যদিও ইস্তানবুল বিমানবন্দরের কর্মীরা, ওই সময় যাত্রীদের যেভাবে সাহায্য করেছেন, টুইটারে তার প্রশংসা করেন চিন্ময় দাবকে৷ তিনি আরও একটি টুইটে তিনি লেখেন, ‘‘এই সবের মধ্যে ইতিবাচক বিষয় হল এটাই যে, ওই সময় ইস্তানবুল এয়ারপোর্টের গ্রাউন্ড স্টাফরা আমাদের অত্যন্ত সাহায্য করেছে৷ প্রত্যেকের মালপত্র ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন তাঁরা৷ ১৩০ জনেরও বেশি ক্ষুব্ধ ভারতীয়র মোকাবিলা করা যদিও খুব একটা সহজ নয়৷’’ এহেন দায়িত্বজ্ঞানহীন কার্যকলাপ প্রকাশ্যে আসায় অস্বস্তিতে পড়ে যায় ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষ৷ মুখরক্ষার খাতিরে যাত্রীদের দ্রুত মালপত্র ফেরতের আশ্বাস দিয়েছেন তারা৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement