Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

জীবন্ত সদ্যোজাত, অথচ মৃত ঘোষণা করে দিল সরকারি হাসপাতাল

শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পথেই কেঁদে ওঠে শিশুটি...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৯, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৯, ১৫:২৯

options
link
জীবন্ত সদ্যোজাত, অথচ মৃত ঘোষণা করে দিল সরকারি হাসপাতাল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সদ্যোজাত শিশুকন্যাকে মৃত বলে ঘোষণা করে দিয়েছিল সরকারি হাসপাতাল। এরপরই নবজাতককে শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানে নিয়ে যায় পরিবারের লোকেরা। কিন্তু সেখানে হঠাৎই কেঁদে ওঠে ওই শিশু। পড়ি কী মরি করে ওই শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে যান পরিবারের লোকেরা। অথচ তখনও হাসপাতালের এক নার্স বলে চলেছেন, শিশুটি তো খুবই দুর্বল। আর কতক্ষণই বা বেঁচে থাকবে। রাজস্থানের সব থেকে বড় হাসপাতাল বুন্দির  ঘটনা। এ রাজ্যে মা ও শিশুর সুরক্ষার জন্য কোটি কোটি টাকার প্রকল্প রয়েছে। অথচ পাশাপাশি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এমন নগ্ন রূপও উঠে আসছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

[তামিলনাড়ু সরকারকে কৃষিঋণ মকুবের নির্দেশ দিল মাদ্রাজ হাই কোর্ট]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বুন্দির এই হাসপাতাল রাজ্যের সবথেকে বড় হাসপাতাল ঠিকই। কিন্তু এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগও বেশ বড় বড়। ডাক্তারের অনুপস্থিতিতে নার্সিং কর্মীরা নাকি ডেলিভারির মতো কাজও নিজের দায়িত্বে সেরে ফেলেন। এমন অভিযোগ তুলেছেন এই সদ্যোজাতর পরিবার। তাদের অভিযোগ, কয়েকজন নার্সই ওই মহিলার সন্তান প্রসব করান। বাচ্চা জন্মানোর পর বলেন, শিশুটি মৃত। এদিকে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হলে আচমকা কেঁদে ওঠে সে। ফের শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট যা বলে তা আরও অমানবিক! তিনি বলেন, এই শিশুর শারীরিক অবস্থা খুবই দুর্বল। তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে সুপারিনটেনডেন্ট ও পি বর্মার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ওই মহিলা অপরিণত শিশুর জন্ম দিয়েছিলেন। মাকে বাঁচানোর জন্য আগেই ডেলিভারি করাতে হয়েছিল। জন্মের পর শিশুটি কোনওরকম সাড়াশব্দ না দেওয়ায় হয়তো মৃত বলে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল। শিশুটির ওজনও খুবই কম। বেশিদিন এই শিশুর পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

একজন দায়িত্ববান চিকিৎসক কীভাবে এমন কথা বলতে পারেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জেলা কালেক্টরের নির্দেশে নার্সের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগেরও তদন্ত শুরু হয়েছে।

[মোদিকে ‘অমর’ হওয়ার পথ বাতলে দিল লস্কর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.