মন্ত্র একটাই – একতা। ‘টিম ইন্ডিয়া’ হিসেবে কাজ করতে হবে। তাতেই সংকটকাল পেরিয়ে যাওয়া সম্ভব। ঠিক যেমনটা হয়েছিল করোনা মহামারীর সময়ে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে দেশে জ্বালানি সংকট এড়াতে শুক্রবার সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে ঠিক এই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আত্মবিশ্বাসী সুরে তাঁর বক্তব্য, টিম ইন্ডিয়া হিসেবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে দেশ সমস্ত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারবে। কোভিড কালে যেমন কেন্দ্র-রাজ্য হাতে হাত ধরে কাজ করে সবরকম সংকট কাটিয়ে উঠেছিল, তেমনই এই যুদ্ধের আবহেও সব প্রতিকূলতা কাটাতে পারবে।
আরও পড়ুন:
আত্মবিশ্বাসী সুরে তাঁর বক্তব্য, টিম ইন্ডিয়া হিসেবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে দেশ সমস্ত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারবে। কোভিড কালে যেমন কেন্দ্র-রাজ্য হাতে হাত ধরে কাজ করে সবরকম সংকট কাটিয়ে উঠেছিল, তেমনই এই যুদ্ধের আবহেও সব প্রতিকূলতা কাটাতে পারবে। এ বিষয়ে তিনি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার আর্জি জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে।
PM Modi chaired meeting with CMs to review preparedness in light of the emerging situation in West Asia crisis
PM expressed confidence that working together as “Team India,” the nation will successfully overcome the situation
PM stressed that Government’s priorities are to… pic.twitter.com/X3djnwJBAg
— ANI (@ANI) March 27, 2026
বাংলা-সহ দেশের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোট আসন্ন। সেখানে আদর্শ আচরণবিধি লাগু থাকায় মুখ্যসচিবদের ডাকা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর ভারচুয়াল বৈঠকে। সেখানে মোদি জানান, এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের যা পরিস্থিতি তার নিরিখে রাজ্যগুলিতে জ্বালানি তেলের ভাঁড়ার, সরবরাহের পরিস্থিতি কেমন, তা বিশদে জানা প্রয়োজন। শুধু তাই নয়, নিত্যদিনের কাজে ব্যবহৃত সামগ্রী নিয়েও কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী। তবে বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কালোবাজারি রোখার ক্ষেত্রে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে মোদির আহ্বান, সংকটের সময় জ্বালানি তেল বা এলপিজি নিয়ে যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা মুনাফা না করেন, সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। উল্লেখ্য, জ্বালানি সমস্যার গোড়া থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক এই বিষয়টি নিয়েই জরুরি বৈঠক করে নজরদারি বৃদ্ধির কথা বলেছিলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী সংসদের দুই কক্ষে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ একমাস ধরে চললেও দেশে জ্বালানির ভাঁড়ারে টান পড়বে না। পরে কেন্দ্রে তরফে জানানো হয়, ৬০ দিনের রসদ মজুত রয়েছে। আবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে দেশে ‘এনার্জি লকডাউন’ হতে পারে। এমন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ভারচুয়াল বৈঠকের বার্তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।