Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
IRCTC

দ্বিগুণ দামে চা-কফি বিক্রি ট্রেনে! যাত্রীর অভিযোগ পেতেই কড়া পদক্ষেপ আইআরসিটিসির

১৪ টাকার জল কেন ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ওই যাত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১৬:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১৬:০৩

options
link
দ্বিগুণ দামে চা-কফি বিক্রি ট্রেনে! যাত্রীর অভিযোগ পেতেই কড়া পদক্ষেপ আইআরসিটিসির zoom
মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে ভিডিওটি।
Advertisement

৫ টাকার চা-কফি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। ১০ টাকার চা-কফি বিকোচ্ছে ২০ টাকায়। দিল্লি-অমৃতসর এক্সপ্রেসের এক যাত্রী এমনই অভিযোগ তুলে ভিডিও পোস্ট করলেন সোশাল মিডিয়ায়। তাঁর আরও অভিযোগ, যে জলের বোতলের গায়ে দাম লেখা ১৪ টাকা, তাও বিক্রি করা হচ্ছে ২০ টাকায়। সেই ভিডিও মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। আইআরসিটিসি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট রেলকর্মী ও প্যান্ট্রি কারের ম্যানেজারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ওই যাত্রী ভিডিওয় জানান, তিনি প্রথমে অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন নিয়ম মেনে। এবং সেই তালিকায় তিনি বিরিয়ানিরও উল্লেখ করেন। জানান, বিরিয়ানির সঙ্গে দই, ন্যাপকিন, স্যালাড কিছুই দেওয়া হয়নি। এই কর্মীদের সঙ্গে তাঁর বচসাও বাধে। বাড়তি অর্থ ফেরত চাইলে তাঁকে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। পরে ম্যানেজারকে ফোন করা হলে তিনি জানান, তিনি ট্রেনে নেই। একথা জানিয়ে ওই যুবককে বলতে শোনা যায়, ”এমন অভিযোগ করা থেকে অনেকেই এড়িয়ে যান। কিন্তু এটা জাতীয় পর্যায়ের সমস্যা। এবং এর বিরুদ্ধে সকলেরই কণ্ঠ তোলা উচিত।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরই পাশাপাশি তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”যদি আপনি মনে করেন যে ওঁরা গরিব, তবে একবার কেবল হিসাবটা কষে দেখুন। প্রতিটি যাত্রী, প্রতিটি কোচ এবং প্রতিটি যাত্রাপথ থেকে আদায় করা সেই অতিরিক্ত ১০০ টাকা… সব মিলিয়ে একটি মাত্র ট্রিপেই তা হাজার হাজার টাকায় গিয়ে দাঁড়ায়। এবার সেই পরিবারগুলোর কথা ভাবুন, যাঁরা সাধারণ শ্রেণি বা ‘সেকেন্ড সিটিং’-এ ভ্রমণ করছেন এমনিতেই যাঁদের প্রতিটি অর্থ অত্যন্ত হিসেব করে খরচ করতে হয়, অথচ তবুও তাঁদের বাধ্য হয়ে ৮০ টাকার একটি খাবারের জন্য ১৮০ টাকা গুনতে হয়। তাঁদের কাছে বিষয়টি কেবল ‘অতিরিক্ত মূল্য আদায়’ নয়। বিষয়টা দাঁড়িয়ে যায় খাবার জুটবে, নাকি না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়তে হবে। পরের বার আপনি যখন এমন দৃশ্য দেখবেন, তখন তা উপেক্ষা করবেন না। ওই অতিরিক্ত টাকার আড়ালে লুকিয়ে আছে কারও না কারও খিদে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.