BREAKING NEWS

৮ মাঘ  ১৪২৮  শনিবার ২২ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

কাশ্মীরে সন্ত্রাস ছড়ানোর নয়া পরিকল্পনা, নেপালে কন্ট্রোল রুম বানাল আইএসআই

Published by: Bishakha Pal |    Posted: June 18, 2019 4:49 pm|    Updated: June 18, 2019 9:29 pm

ISI gets new control room in Nepal to carry out terror activities

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে একের পর এক জঙ্গি প্রবেশ ও জঙ্গি হামলার ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও নিয়ন্ত্রণ রেখায় নিরাপত্তা বেড়ে যাওয়ায় এবার ঘুরপথে ভারতে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাতে চাইছে আইএসআই। তাই নেপালে তৈরি হচ্ছে আইএসআইয়ের বেসক্যাম্প। গোয়েন্দা সূত্রে এমনই খবর পাওয়া গিয়েছে।

গোয়েন্দা রিপোর্ট আরও বলছে, গত কয়েকমাসে নেপালে কয়েকটি জঙ্গি সংগঠনকে চালিত করছে আইএসআই। জঙ্গিদের সঙ্গে আইএসআইয়ের অফিসারদের ঘনঘন বৈঠক হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। এনিয়ে কিছু তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। সূত্রের খবর, জম্মু ও কাশ্মীর থেকে দু’জন জঙ্গি নেপালে গিয়েছে। মার্চ ও এপ্রিলে তারা নেপালে যায়। তারা হিজবুল মুজাহিদিনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছে বলেও খবর। এছাড়া হিজবুলের আরও তিন জঙ্গির সঙ্গেও দেখা করে তারা। সবশেষে ওই পাঁচজনকে জম্মু ও কাশ্মীরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

[ আরও পড়ুন: বাবুল ও দেবশ্রীর শপথের সময় ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান, শুরুতেই বিতর্ক লোকসভায় ]

সরকারি সূত্রে খবর, ভারতীয় জওয়ানদের উপর হামলা চালানোর জন্য জঙ্গিদের তৈরি করছে আইএসআই। জঙ্গিদের বিশেষ প্রশিক্ষণও দিচ্ছে তারা। এই জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ক্রমাগত ভারতীয় সেনা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলি নজরে রাখছে বলে জানা গিয়েছে। নেপালে জঙ্গিদের সবরকম সাহায্য করছে আইএসআই। অনুমান, নেপালের মাধ্যমে ভারতে সন্ত্রাস ছড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। যেহেতু দেশের পশ্চিম অংশে নিরাপত্তা এখন জোরদার, তাই উত্তর অংশ দিয়েই হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে জঙ্গিরা।

সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে এনিয়ে একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর ও ফৈজাবাদে লস্কর-ই-তইবা ঘাঁটি তৈরি করার পরিকল্পনা করছে। নেপাল সীমান্তের কাছে থাকায় এই জায়গাগুলি থেকে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম চালানোর সুবিধা হবে। তাই এই জায়গাগুলিকেই ঘাঁটি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। নেটওয়ার্ক বাড়ানোর দায়িত্ব নিয়েছে লস্করের শীর্ষনেতা মহম্মদ উমর মাডনি। এর জন্য কলকাতা ও বিহারের দারভাঙাতেও ঘুরে এসেছে সে। তাই ভবিষ্যতে এই দুই জায়গায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

[ আরও পড়ুন: দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের স্বীকৃতি, লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা হচ্ছেন অধীর ]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে