১ আশ্বিন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিরিয়া, ইরাকের পর এবার কি ভারতকে সন্ত্রাসের স্বর্গ রাজ্য বানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে আইএস৷ এই জঙ্গি সংগঠনের পরস্পর কর্মসূচি নাকি সেই আশঙ্কাই তৈরি করেছে প্রশাসনিক মহলে৷ প্রথমে এরাজ্য ও বাংলাদেশে নাশকতার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর, এবার আরও একধাপ এগিয়ে আরও ভয়ংকর ইঙ্গিত দিল জঙ্গি সংগঠনটি৷ এই প্রথম ভারতে তাদের নিজস্ব প্রদেশ বা রাজ্য গঠনের হুমকি দিল আইএস৷

[ আরও পড়ুন:  কর্মজীবনে হতাশা, স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে চিঠি যুবকের ]

গত ১০ মে কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের যে সংঘর্ষ হয়েছে, তারপরেই এই ঘোষণাটি করা হয়েছে আইএসের তরফে৷ তাদের মুখপাত্র আমাক জানিয়েছে, আরবি ভাষায় আইএস এই প্রদেশটির নাম দিয়েছে ‘উইলাহ অফ হিন্দ’৷ ইংরেজিতে যার মানে করলে দাঁড়ায় ‘ইন্ডিয়ান প্রভিনস’৷ আগেই দুবার পোস্টার দিয়ে এরাজ্য এবং বাংলাদেশে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল জঙ্গি সংগঠন আইএস৷ প্রথম পোস্টারে তারা দিয়েছিল, ‘‘শীঘ্রই আসছি, ইনশাল্লাহ…’৷ পরের পোস্টারে জানিয়েছিল, ‘‘যদি ভেবে থাকেন বাংলা আর হিন্দে খিলাফত সৈন্যদের চুপ করিয়ে দেওয়া গিয়েছে, তাহলে ভুল করবেন। এটা মনে রাখবেন যে, আমাদের সৈন্যদের চুপ করিয়ে রাখা যায় না… আমাদের প্রতিশোধের স্পৃহা কোনদিনও নিভবে না।’’ এখানেই শেষ নয়, সংগঠনের নয়া ‘আমির’ বা নেতাও নিযুক্ত করেছে আইএস৷ আবু মহম্মদ আল বাঙালি নামের একজনকে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের নেতা নিযুক্ত করেছে তারা৷ এছাড়া প্রায় পাঁচ বছর পর ফের প্রকাশ্যে এসেছে ইসলামিক স্টেট প্রধান আবু-বকর আল বাগদাদি৷ একটি ভিডিও প্রকাশ করে আইএস জঙ্গিগোষ্ঠী৷ মৃত্যুর জল্পনা উড়িয়ে সেখানেই দেখা মেলে ওই কুখ্যাত জঙ্গিনেতার৷ ভিডিওয় শ্রীলঙ্কার ধারাবাহিক বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করেছে সে৷ পাশাপাশি বাগদাদি বলেছে, খিলাফতের উপর হামলার বদলা নিতেই শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে৷

[ আরও পড়ুন: ভোটের ফলাফল কী হবে? ভবিষ্যদ্বাণী করল পঞ্জিকা ]

এছাড়া সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো বা আইবি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ অথবা বাংলাদেশে বড়সড় ফিদায়েঁ হানার পরিকল্পনা করছে জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ ও আইএস৷ এবং এই নাশকতার চালানোর জন্য তারা বেছে নিয়েছে বুদ্ধপূর্ণিমার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনকে৷ একাজের জন্য জামাত ও আইএস কাজে লাগাতে পারে প্রসূতি মহিলা বা শিশুদের৷ এদের দিয়ে কোনও জনবহুল স্থানে আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারে জঙ্গি সংগঠনগুলি৷ যাতে সর্বাধিক ক্ষয়ক্ষতি হয়৷ হামলা হতে পারে হিন্দু মন্দির বা বৌদ্ধ মনেস্ট্রির মতো কোনও ধর্মস্থানে৷ সেকারণেই বুদ্ধপূর্ণিমার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনকে জঙ্গি সংগঠনগুলি টার্গেট করেছে বলে মত গোয়েন্দাদের৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং