সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইসকনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপি সাংসদ মানেকা গান্ধীর। তাঁর দাবি, দেশের সবচেয়ে বড় প্রতারক সংস্থা হল ইসকন (ISKCON)। নিজেদের গৌশালার গরু কসাইদের কাছে বেচে দেয় তারা। ইসকন তাঁর এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, মানেকার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন ও মিথ্যে’।
প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা পশুপ্রেমী হিসেবেও সুপরিচিত। পশুহত্যার বিরুদ্ধে বারবার সরব হতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ইসকনের বিরুদ্ধে একটি ভিডিওয় এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তিনি। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”ইসকন দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রতারক। ওরা গৌশালা চালায় এবং সরকারের থেকে সুবিধা নেয়।” এরপর তিনি অন্ধ্রপ্রদেশে ইসকনের অনন্তপুর গৌশালা পরিদর্শনের অভিজ্ঞতার কথা সকলকে বলেন। জানান, সেখানে তিনি যত গরু দেখেছেন সব কটিই দুগ্ধবতী। একটিও এমন কোনও গরু ছিল না যারা দুধ দেয় না। কোনও বাছুরও ছিল না। মানেকার (Maneka Gandhi) কথায়, ”তার মানে বাকিদের বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। ইসকন কসাইদের কাছে গরুগুলিকে বিক্রি করে দেয়। ওরা যতটা করে এমন আর কোনও সংস্থা করে না। এরপর ওরা রাস্তায় গিয়ে ‘হরে রাম হরে কৃষ্ণ’ গায়। বলে বেড়ায় ওদের সমস্ত জীবন দুধের উপরে নির্ভরশীল। সম্ভবত, এত বেশি বাছুর অন্য কোনও সংস্থাই বিক্রি করে না।”
[আরও পড়ুন: ‘এমন বলার অধিকার ওঁকে কে দিল?’ নতুন ভিডিও শেয়ার করে বিধুরিকে আক্রমণ দানিশের]
মানেকার এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে ইসকন। সংস্থার মুখপাত্র যুধিষ্ঠির গোবিন্দ দাস জানিয়েছেন, মানেকার এই অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যে এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, ”গরু ও ষাঁড়দের সারা জীবন ধরেই সেবা করা হয় এখানে। কখনওই তাদের কসাইদের কাছে বেচে দেওয়া হয় না।” মানেকার মতো ইসকনের একজন শুভাকাঙ্ক্ষীর এই ধরনের মন্তব্যে তাঁরা বিস্মিত বলেও জানান যুধিষ্ঠির।
[আরও পড়ুন: প্রায় শেষের পথে রাম মন্দির নির্মাণের কাজ, কবে উদ্বোধন জানাল ট্রাস্ট]
সর্বশেষ খবর
-
ন’মাস ধরে যৌন নিগ্রহের শিকার! নাবালিকার সন্তান প্রসবের পর কু-কীর্তি ফাঁস, এন্টালিতে গ্রেপ্তার যুবক
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে করবে আদানিরা! শুভেন্দু সরকারের উদ্যোগে বঙ্গ পর্যটনে নতুন দিগন্ত
-
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা, অপসারণের দাবিতে এবার সংসদের দু’কক্ষেই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব!
-
দুধের তৈরি না হলে বলা যাবে না ‘পনির’, ভেজালের রমরমা রুখতে কড়া নিয়মের পথে কেন্দ্র
-
পুজোয় বাঙালির পাতে পড়বে না পদ্মার ইলিশ! রুপোলি শস্য রপ্তানিতে মেলেনি ছাড়পত্র