Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
জেপি নাড্ডা

দায়িত্ব কমল অমিত শাহর, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হলেন জেপি নাড্ডা

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির সভাপতি নির্বাচিত হলেন নাড্ডা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২০, ১৪:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২০, ১৪:৫৯

options
link
দায়িত্ব কমল অমিত শাহর, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হলেন জেপি নাড্ডা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচিত হলেন জগৎপ্রকাশ নাড্ডা  (Jagat Prakash Nadda)। ‘পৃথিবীর বৃহত্তম’ রাজনৈতিক দলের একাদশতম সভাপতি নির্বাচিত হলেন তিনি। এতদিন নাড্ডা কাজ করছিলেন দলের কার্যকরী সভাপতি হিসেবে। সভাপতি ছিলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। কিন্তু, একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং সভাপতিত্বের দায়িত্ব সামলানোটা বেশ কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়াচ্ছিল তাঁর জন্য। তাই, স্থায়ী সভাপতি নির্বাচনের প্রয়োজন ছিল। জেপি নাড্ডা, অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদি দু’জনেরই অত্যন্ত পছন্দের প্রার্থী। তাই, তাঁর সভাপতিত্বেই সিলমোহর দিল দল।

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচন একেবারে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন, এমনটা বিরল বলেই জানাচ্ছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। সূত্রের খবর, প্রথমে বিজেপির সংসদীয় কমিটির সদস্য তথা অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, নীতীন গড়করিরা পরবর্তী সভাপতি হিসেবে নাড্ডার নাম প্রস্তাব করেন। তাতে সিলমোহর দেয় বিজেপির জাতীয় পরিষদ। আজ দলের কেন্দ্রীয় কার্যলয়ে চূড়ান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে প্রথমে সভাপতি পদে মনোনয়ন পেশ করেন নাড্ডা। প্রত্যাশিতভাবেই তাঁর বিরুদ্ধে আর কেউ মনোনয়ন জমা দেননি। বিজেপির সব রাজ্য কমিটির তরফেই নাড্ডাকে সভাপতি করার প্রস্তাবে সিলমোহর দেওয়া হয়। এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচিত হন।

[আরও পড়ুন: ‘দ্রৌপদীর মতো দেশের বস্ত্রহরণ করা হচ্ছে’, CAA বিরোধীদের কটাক্ষ করে বিতর্কে যোগী]

অমিত শাহ সভাপতি চলাকালীন বিজেপি কলেবরে বেশ খানিকটা বেড়েছে। দেশের তো বটেই বিজেপি গোটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। অমিতের সেই সাফল্য ধরে রাখাটাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ নাড্ডার কাছে। তাছাড়াও, যে যে এলাকাগুলিতে বিজেপি এখনও দুর্বল, সেই এলাকাগুলিতে দলের প্রভাব বাড়ানোটাও তাঁর লক্ষ্য হতে চলেছে। বিশেষ করে দাক্ষিণাত্য এবং বাংলায় বিজেপি নিজেদের প্রভাব আরও বাড়াতে চাইবে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, মোদি-অমিত শাহর উপস্থিতিতে নাড্ডা কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.