Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Jammu and Kashmir

সাংসদ হয়েছেন ‘জঙ্গি’ রশিদ, কাশ্মীরে এবার ভোটের লড়াইয়ে তাঁরই ভাই খুরশিদ!

খুরশিদ এই মুহূর্তে আওয়ামি ইত্তেহাদ পার্টির কার্যকরী সভাপতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৪, ০৯:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৪, ০৯:১০

options
link
সাংসদ হয়েছেন ‘জঙ্গি’ রশিদ, কাশ্মীরে এবার ভোটের লড়াইয়ে তাঁরই ভাই খুরশিদ! zoom
সাংসদ ইঞ্জিনিয়র রশিদের ভাই খুরশিদ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বন্দিদশা থেকে লোকসভা ভোটে লড়ে তিনি চমক দিয়েছিলেন।  তিনি আবদুল রশিদ শেখ। ইঞ্জিনিয়ার রশিদ নামেই পরিচিত। লোকসভা নির্বাচনে কাশ্মীরের বারামুলা আসন থেকে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর কাছে পরাজিত হন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। এবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে পারেন রশিদের ভাই খুরশিদ আহমেদ শেখ। বর্তমানে খুরশিদ একটি সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুসারে, খুব শীঘ্রই চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে তিনি বিধানসভা ভোটে লড়াই করার কথা ঘোষণা করতে পারেন। খুরশিদ এই মুহূর্তে আওয়ামি ইত্তেহাদ পার্টির কার্যকরী সভাপতি। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সাল থেকে আবদুল রশিদ শেখ এনআইএ-র মামলায় দিল্লির তিহার জেলে বন্দি। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থসাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে। ওমরকে ২ লক্ষেরও বেশি ভোটে হারিয়েছিলেন রশিদ। আর এবার, বিধানসভা ভোটের আগে সেই ওমর আবদুল্লা অভিযোগ করে বলেন, “কেন্দ্র এখানকার রাজ্যের স্বীকৃতি ছেঁটে দিয়েছে। বিশেষ মর্যাদাও প্রত্যাহার করেছে। ভোটের পর জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় প্রথম কাজ হবে এর বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাস করানো।” তাঁর দাবি, ভোট মিটলেই জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পেশ করা হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রতিবাদের নয়া ভাষা, এবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বাইরে ওপিডি পরিষেবা প্রতিবাদী চিকিৎসকদের]

২০১৪ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে শেষ ভোট হয়েছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা ভোট হয়নি। তখন জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা আসন ছিল ৮৭টি। শেষ বিধানসভা নির্বাচনে ওমরের দল পেয়েছিল ১৫টি আসন। উপত্যকায় শক্তিধর আঞ্চলিক দল হিসাবে উঠে এসেছিল পিডিপি। ২৮টি আসন জিতেছিল তারা। বিজেপির সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করে। কিন্তু ২০১৮ সালেই সেই সরকার ভেঙে যায়। জারি করা হয় রাষ্ট্রপতির শাসন। এর পর ২০১৯ সালের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের মধ্যে বিলুপ্ত হয় জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা।

[আরও পড়ুন: ডায়েরির পাতা ছেঁড়া! প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে সরব তরুণী চিকিৎসকের মা]

উপত্যকায় বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই ওমর জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি এ বারের ভোটে লড়বেন না। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্র জম্মু ও কাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এমন অবস্থায় আসন্ন নির্বাচনে ন্যাশনাল কনফারেন্সকে নেতৃত্ব দেবেন ওমরের বাবা তথা সেখানকার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.