সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মারা গেলেন জৈন ধর্মগুরু তরুণ সাগর। শনিবার রাতে রাধাপুরি জৈন মন্দিরে তিনি মারা যান। মন্দিরটি পূর্ব দিল্লির কৃষ্ণনগর এলাকায় অবস্থিত। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫১ বছর। উত্তরপ্রদেশের মুরাদনগরের তরুণসাগ্রামে আজ এই জৈন ধর্মগুরুর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
জৈনদের দিগম্বর মতে বিশ্বাসী ছিলেন তরুণ সাগর। এই জৈন মুনির ভক্তের সংখ্যা ছিল প্রচুর। তিন সপ্তাহ আগে অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। জানা গিয়েছে, জন্ডিস-সহ একাধিক রোগে ভুগছিলেন তিনি। একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। গত কয়েকদিন ধরে তাঁর অবস্থার ক্রমশ অবনতি হচ্ছিল। তিনি কোনভাবই কোনও চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছিলেন না। চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা বিফলে যাচ্ছিল। তাঁর ভক্তরাও বিষয়টি বুঝতে পারেন। গুরুর শেষ অবস্থা আসন্ন জেনে ভক্তরা তাঁকে মন্দিরে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। জৈন মুনিকে রাধাপুরি মন্দিরে নিয়ে আসা হয়। সেখানে জৈন ধর্ম মতে ‘সান্থারা’ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। জৈন ধর্মে এটি একটি আচার যা মৃত্যুর আগে করতে হয়।
[ অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মুক্তি পুলিশকর্মীর আত্মীয়দের ]
১৯৬৭-এর ২৬ জুন মধ্যপ্রদেশের দাহোহ জেলায় তাঁর জন্ম হয়। তাঁর আসল নাম পবন কুমার জৈন। ছোট থেকেই জৈন ধর্মে দীক্ষিত হন তিনি৷ ১৯৮১ সালে তিনি গৃহত্যাগ করেন। দিগম্বর জৈন সন্ন্যাসী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তখনই। ‘কড়ভে প্রবচন’-এর জন্য বিখ্যাত ছিলেন জৈন মুনি তরুণ সাগর। ২০১৬ সালে হরিয়ানা বিধানসভায় তিনি যা বক্তব্য রাখেন, তাই ‘কড়ভে প্রবচন’ নামে খ্যাত। মানুষকে জীবনের বাস্তবতা স্বীকার করার কতা বলতেন তিনি। দুইয়ের বেশি সন্তানের পক্ষপাতী ছিলেন না তিনি। এই নিয়ে সরকারের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে সরব হন তিনি৷
বলিউডের মিউজিক কম্পোজার বিশাল দাদলানি এই দিগম্বর সন্ন্যাসীর সমালোচনা করে বিপাকে পড়েন। টুইটারে পরে তিনি তরুণ সাগরের কাছে ক্ষমাও চান।
[ রাজীব গান্ধী হত্যার মতোই ছক বাম বুদ্ধিজীবীদের, দাবি পুলিশের ]
সর্বশেষ খবর
-
প্রয়াত পদ্মশ্রী সাহিত্যিক রবিলাল টুডু, রোগভোগের পর না ফেরার দেশে ‘বীর বীরসা’র স্রষ্টা
-
বিশ্বকাপের আগে ‘অমানবিক’ ফিফা! দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে এই সিদ্ধান্তে
-
দাউদ ইব্রাহিমের হাড়হিম হুমকি, ‘তোর খেলা শেষ’, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত
-
ভেঙে খানখান সাধের দল! ‘বিদ্রোহী’দের ফেরাতে জনে জনে ফোন করছেন মমতা
-
গেট খুললেই জুতোর বাড়ি! প্রতারণার অভিযোগে দুর্গাপুরে তৃণমূলের নেতার বাড়ির সামনে ধরনা