Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
জসলিন ভাল্লা

ফোনের ওপার থেকে কে করোনা সতর্কবার্তা দেন দেশবাসীকে? জানুন সেই মহিলার আসল পরিচয়

গোড়ার দিকে পেশায় একজন ক্রীড়া সাংবাদিকও ছিলেন এই মহিলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২০, ১১:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২০, ১১:০৮

options
link
ফোনের ওপার থেকে কে করোনা সতর্কবার্তা দেন দেশবাসীকে? জানুন সেই মহিলার আসল পরিচয় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “করোনা ভাইরাস ইয়া কোভিড ১৯ সে আজ পুরা দেশ লড় রহা হ্যায়। মগর ইয়াদ রহে হামে বিমারি সে লড়না হ্যায়, বিমার সে নহি। উনসে ভেদভাও না করে…” বিগত ৩ মাসে এই কথাগুলোর সঙ্গে আমরা সকলেই পরিচিত। শুধু হিন্দি কিংবা ইংরেজিতেই নয়, বরং প্রত্যেকটি আঞ্চলিক ভাষাতেও এই কথাগুলো শোনা যায়। দেশের যে কোনও প্রান্তে ফোন করলেই অপর প্রান্ত থেকে ভেসে ওঠে করোনা সতর্কতামূলক যাবতীয় তথ্য নিয়ে একটি মহিলা-কণ্ঠস্বর। জানেন এই কণ্ঠস্বরের নেপথ্যে কে? ফোনের ওপার থেকে কে সতর্ক করেন ভারতবাসীকে?

দেশবাসীর করোনা সচেতনতা বাড়াতে ফোনে কোভিড ১৯ নিয়ে যে কথাগুলি আমরা শুনতে পাই, তার নেপথ্যে রয়েছেন জসলিন ভাল্লা নামে এক মহিলা। এই কণ্ঠস্বর তাঁরই। প্রসঙ্গত, জসলিন বিভিন্ন সরকারি বিজ্ঞাপন কিংবা জনস্বার্থে কোনও প্রকল্পে ভয়েস ওভার দিয়ে থাকেন। এর আগেও দিল্লি মেট্রো, দিল্লি পুলিশ, এয়ারটেলের মতো একাধিক ক্ষেত্রে কণ্ঠস্বর দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ভারতে করোনার কোপ পড়তেই জসলিনের কাছে এই প্রস্তাব আসে। তিনিও অমত করেননি এই প্রস্তাবে। তবে প্রথমটায় বুঝতেই পারেননি দীর্ঘ এতটা সময় ধরে তাঁর এই কণ্ঠস্বর শুনতে হতে পারে দেশবাসীকে!

Advertisement

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের কী করতে হবে আর কী করতে হবে না? ফোন করলেই জসলিনের মাধ্যমে সেই সতর্কবার্তা শুনেছি আমরা। আর এই কথাগুলি শুনতে আমরা একপ্রকার প্রায় অভ্যস্তই হয়ে পড়েছি। তবে বিরক্তির প্রকাশও যে ঘটেনি এমনটা নয়! তবে সে যাই হোক দেশবাসীর করোনা সচেতনতা বৃদ্ধিতে এই বার্তা যে অপরিহার্য তা বলাই যায়।

[আরও পড়ুন : অমানবিক! এবার বোমা ভরতি মাংস খাইয়ে শিয়াল খুন তামিলনাড়ুতে]

সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন ভয়েস ওভার আর্টিস্ট জসলিন ভাল্লা। যিনি কিনা কেরিয়ারের গোড়ার দিকে পেশায় একজন ক্রীড়া সাংবাদিকও ছিলেন। জসলিনই জানালেন, এক প্রোডিউসারই তাঁকে ফোন করে প্রস্তাব দেন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের একটি কাজে ভয়েসওভার দেওয়ার জন্য। সেই প্রস্তাবে তিনিও তৎক্ষণাৎ সায় দেন। অমত করার কোনও জায়গাই নেই। কিন্তু এতদিন ধরে এই কণ্ঠস্বর প্রতিটা দেশবাসীর কাছে পৌঁছবে প্রতিক্ষণে, তা তিনি ভাবেননি।

জসলিন জানিয়েছেন, তাঁর পরিবারের লোকেরা আজকাল প্রায়ই তাঁকে বলেন যে, “বাড়িতে যাঁর গলা সারাদিন শুনতে হয়, এখন তো ফোন করলেও সেই গলা শুনতে হচ্ছে!” এমনকি তিনি কাউকে ফোন করলে নিজেই নিজের সতর্কবাণী শুনতে পান। এই অভিজ্ঞতা তার যে বেশ লাগে, জানিয়েছেন জসলিন। তাঁর আশা, এই সতর্কবার্তা বারবার শুনে মানুষ হয়তো কিছুটা সাবধান হবেন। তবে উল্লেখ্য, এতদিন শুধুমাত্র কণ্ঠস্বরের পরিচিতি থাকলেও এবার করোনা সতর্কতাবাণীর জেরে প্রকাশ্যে এলেন জসলিন।

[আরও পড়ুন : উঁচু জাতের মেয়ের সঙ্গে প্রেমের ‘খেসারত’, পুণেতে দলিত যুবককে পিটিয়ে খুন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.