Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Jaya Bachchan

রাজ্যসভায় শেষ দিন, হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন জয়া বচ্চন

কেন ক্ষমা চাইলেন অমিতাভ ঘরনি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪, ১৮:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪, ১৮:২০

options
link
রাজ্যসভায় শেষ দিন, হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন জয়া বচ্চন zoom
ছবি: এএনআই

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড়ের সামনেই মেজাজ হারাতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। শুক্রবার একেবারে ভিন্ন মেজাজে দেখা গেল জয়া বচ্চনকে(Jaya Bachchan)। বিদায়ী ভাষণে সমস্ত সদস্যের কাছে ক্ষমা চাইলেন অমিতাভ জায়া। সেই সঙ্গে মেনে নিলেন তিনি রগচটা। যদিও কাউকে আঘাত করার জন্য কিছু বলেন না।

ঠিক কী বলেছেন জয়া? তাঁকে বলতে শোনা গেল, ”লোকেরা আমার কাছে জানতে চায় আমি কেন এত রেগে যাই। এটা আমার স্বভাব। নিজেকে আমি বদলাতে পারব না। কোনও কিছু আমার পছন্দ না হলে কিংবা কোনও কিছুর সঙ্গে একমত না হলে আমি মাথা গরম করে ফেলি। যদি আমি কোনও খারাপ ব্যবহার করে থাকি আপনাদের কারও সঙ্গে, বা ব্যক্তিগত আক্রমণ করি তাহলে ক্ষমাপ্রার্থী।” প্রসঙ্গত, রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে জয়ার মেয়াদ এদিনই শেষ হল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘রিভাবার জন্যই সংসার ভেঙেছে! ছেলের মুখ দেখি না’, বিস্ফোরক জাদেজার বাবা]

আগের দিন মেজাজ হারিয়ে কী বলেছিলেন তিনি? রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালীন বিমান মন্ত্রক সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া হয়। এর পরই কংগ্রেসের দীপেন্দর সিং হুডা ও অন্যান্য কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে জয়া বচ্চনও দাঁড়িয়ে পড়ে প্রতিবাদ জানান। তাঁদের শান্ত করার চেষ্টা করেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। তখনই জয়াকে (Jaya Bachan) বলতে শোনা যায়, ”আমরা স্কুলপড়ুয়া নই। কিন্তু আমাদের যেন সম্মান দেওয়া হয়।”

শুক্রবাসরীয় বিকেলে কার্যতই যেন বিষাদের ছোঁয়া রাজ্যসভায়। জয়া-সহ যে সাংসদদের মেয়াদ ফুরিয়ে গেল তাঁর উদ্দেশে জগদীপ ধনকড় বলেন, তাঁদের বিদায়ে একটা শূন্যস্থানের সৃষ্টি হল।

[আরও পড়ুন: পরিবারের পছন্দের পাত্রকে বিয়েতে রাজি হতেই প্রেমিকাকে কুড়ুলের কোপ! পলাতক প্রেমিক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.