Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
জেট

তিন মাস বেতন হয়নি, প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ জেট এয়ারওয়েজের বিমানচালকরা

তবে কি বন্ধ হয়ে যাবে বিমান সংস্থাটি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০১৯, ১৭:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০১৯, ১৭:৫২

options
link
তিন মাস বেতন হয়নি, প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ জেট এয়ারওয়েজের বিমানচালকরা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বহুদিন ধরেই আর্থিক সমস্যায় ভুগছে দেশের অন্যতম বিমানসংস্থা জেট এয়ারওয়েজ। এবার তিন মাসের বেতন না পাওয়ার কথা জানা গেল স্বয়ং জেটের বিমানচালক ও ইঞ্জিনিয়ারদের মুখেই। আর কোনও উপায় না দেখে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেই নিজেদের সমস্যার কথা জানিয়ে চিঠি লিখছেন জেটের বিমানচালক ও ইঞ্জিনিয়াররা। সেই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁরা আবেদন করেছেন, যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার সমাধানের জন্য।

[বারাণসী থেকে ভোটে লড়ছেন মোদি, গান্ধীনগর থেকে ময়দানে অমিত শাহ]

Advertisement

জেটের বিমানচালকদের ট্রেড ইউনিয়ন ন্যাশনাল অ্যাভিয়েটরস গিল্ড ( ন্যাগ )-এর তরফে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, “আমরা আশঙ্কা করছি যে কোনও মুহূর্তে এই সংস্থা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এরকম হলে হাজার হাজার লোক কর্মহীন হয়ে পড়বে। জেট এয়ারওয়েজ বন্ধ হয়ে গেলে বিমানের সংখ্যা কমে যাবে। ফলে ভাড়া বাড়বে। ফলে যাত্রীদেরও সমস্যার মুখে পড়তে হবে। আপনি ব্যবস্থা নিন।” দু’দিন আগে জেট এয়ারওয়াজের পাইলটরা হুমকি দিয়েছিলেন, ৩১ মার্চ পর্যন্ত বকেয়া বেতন না দেওয়া হলে ১ এপ্রিল থেকে আর কাজ করবেন না তাঁরা।

প্রধানমন্ত্রী ও অসামরিক বিমানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে এও লেখা রয়েছে, “বিমানসংস্থার চালক ও ইঞ্জিনিয়াররা প্রায় তিনমাস ধরে বেতন পাননি। বাকি সবাই বেতন পেয়েছেন। আমরা বারবার সংস্থাকে জানিয়েছি। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। এই অবস্থার ফলে চালক ও ইঞ্জিনিয়ারদের আর্থিক অবস্থা খারাপ হচ্ছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত চালকরা নিজেদের কর্তব্য করছেন। বিমান ওড়াচ্ছেন তাঁরা। ফলে এখনও বিমানসংস্থা চলছে। কিন্তু এ ভাবে আর কতদিন? পাইলটরা মানসিকভাবেও বিধ্বস্ত। এই অবস্থায় যাত্রীদের সুরক্ষা নিয়ে কোনও সমস্যা হোক, সেটা কোনও ভাবেই আমরা চাই না।”

এই সংস্থা ২৫ বছরে সবথেকে খারাপ আর্থিক অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সাত হাজার কোটি টাকার দেনা রয়েছে জেটের। ইতিমধ্যে ব্যাংক, সাপ্লায়ারদের কাছে অনেক টাকা দেনা হয়ে গিয়েছে। এর ফলে ১১৯ বিমান থেকে কমিয়ে বর্তমানে ৪১ বিমান চালাচ্ছে জেট এয়ারওয়েজ। অসামরিক বিমানমন্ত্রকের তরফে ইতিমধ্যেই জেট এয়ারওয়াজকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে যাত্রীদের সুবিধার জন্য বিমানের সংখ্যা বাড়ানো হয়। না বাড়াতে পারলে যাত্রীদের টাকা ফেরতের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের অধীনে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকও চেষ্টা করছে, যাতে জেট এয়ারওয়াজের এই দেনা মেটাতে সাহায্য করা যায়।

[বাড়ির নিচে কিলবিল করছে সাপ, শিউড়ে উঠলেন টেক্সাসের গৃহকর্ত্রী]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.