Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

বহিরাগতদের শাস্তি চাই! মোদি-যোগীকে চিঠি আলিগড়ের পড়ুয়াদের

রাষ্ট্রপতিকে চিঠি প্রাক্তন পড়ুয়াদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০১৮, ১৬:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০১৮, ১৬:১০

options
link
বহিরাগতদের শাস্তি চাই! মোদি-যোগীকে চিঠি আলিগড়ের পড়ুয়াদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেআইনি ভাবে ঢুকে যারা ভাঙচুর চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। এই দাবিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে চিঠি লিখল বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ ও পড়ুয়ারা। বহিরাগতদের শাস্তির দাবিতে সরব হলেন বিদেশে বসবাসকারী আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সংগঠনগুলি।

[বাল গঙ্গাধর তিলক ‘সন্ত্রাসবাদের জনক’! অষ্টম শ্রেণির সহায়িকা বই ঘিরে বিতর্ক]

Advertisement

amu-letter

ইতিমধ্যেই ঘটনার আইনগত তদন্তের জন্য কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়দ মন্ত্রকের কাছে আর্জি জানিয়েছেন আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তারিখ মানসুর। ছাত্র সংসদের ঘর থেকে মহম্মদ আলি জিন্নার ছবি সরানো হবে না তা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র ওমর পীরজাদা। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াল সৌদি আরবে প্রতিষ্ঠিত আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সংসদ। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে পাঠানোর জন্য একটি আবেদনপত্র ইতিমধ্যেই প্রাক্তনী সাংসদের পক্ষ থেকে জমা করা হয়েছে সৌদি আরবের ভারতীয় দূতাবাসে। এছাড়াও একই ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছেন কাতার, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও নিউজিল্যান্ডে বসবাসকারী প্রাক্তনীরাও।

[জিন্না তো মহাপুরুষ, ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে মন্তব্য বিজেপি সাংসদের]

ছাত্র সংসদের ঘর থেকে মহম্মদ আলি জিন্নার ছবি খোলা নিয়ে চলতি মাসের গোড়া থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল, আলিগড় কেন্দ্র থেকে বিজেপি সাংসদ সতীশ গৌতম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি দেওয়া থেকে। যেখানে জানতে চাওয়া হয়েছিল ছাত্র সংসদের ঘরে কেন রয়েছে জিন্নার ছবি? এরপরেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে প্রতিবাদ শুরু করেছিল কিছু বহিরাগত। পরিস্থিতি চরম রূপ নিলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। পড়ুয়া ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। সমগ্র আলিগড়ে জারি করা হয়েছিল ১৪৪ ধারা এবং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এলাকার ইন্টারনেট পরিষেবা। আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগদান করেছিলেন জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় ও এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.