সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের উপর আঘাত। কানপুরে খুন হয়ে গেলেন এক সাংবাদিক। নবীন গুপ্তকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মোটরবাইকে এসে অপারেশন চালিয়ে গা ঢাকা দেয় আততায়ীরা।
[মুসলিমদের শেষকৃত্যে লাউডস্পিকারে আজান নিষিদ্ধ, পুর-নোটিসে বিতর্ক তুঙ্গে]
৩৮ বছরের নবীন কানপুরের বিলহৌরের বাসিন্দা। তিনি একটি সর্বভারতীয় হিন্দি সংবাদপত্রের সাংবাদিক। বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ নবীন বিলহৌরের তাঁদের দোকানে বসেছিলেন। এই সময় বাইকে করে আসে তিনজন। পুলিশ জানিয়েছে, দোকান থেকে বেরিয়ে এলে নবীনকে খুব কাছ থেকে গুলি করে ওই দুষ্কৃতীরা উধাও হয়ে যায়। এলাকার বাসিন্দারা বিলহৌরের স্থানীয় একটি হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যান। নবীনের শরীরে পাঁচটি গুলি লাগে। রাতে মৃত্যু হয় ওই সাংবাদিকের। গত চব্বিশ ঘণ্টায় কানপুরে তিনজন খুন হলেন। সাংবাদিক খুনের ঘটনায় যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিন ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর একটি রিপোর্ট যোগী সরকারের আরও মাথাব্যথা বাড়িয়েছে। ক্রাইম ব্যুরো বলছে, দেশে অপরাধের শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ। যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের আশেপাশে কেউ নেই। মহিলাদের উপর অপরাধেও সবার আগে দেশের সবথেকে জনবহুল রাজ্য। সাংবাদিক খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। এই ঘটনায় কানপুর তথা উত্তরপ্রদেশের সাংবাদিকরা বেজায় ক্ষুব্ধ। তাঁদের অভিযোগ, কাজ করতে গিয়ে এভাবে বেঘোরে প্রাণ গেলেও প্রশাসনের মাথাব্যথা নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নবীন এলাকায় সমাজসেবামূলক নানা কাজে ব্যস্ত থাকতেন।
[জিডিপির হার বেড়ে ৬.৩%, বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ মমতার]
গত সপ্তাহে ত্রিপুরায় সাক্ষাৎকার নিতে গিয়ে খুন হন এক সাংবাদিক। সেপ্টেম্বরে ত্রিপুরায় খুন হয়েছিলেন আরও এক সাংবাদিক। তার দিনকয়েক আগে খুন হয়েছিলেন বিখ্যাত সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ।গণমাধ্যমের উপর নেমে আসা পরপর আক্রমণ দেশের গণতন্ত্রের সামনে বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়েই দেখা দিচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
স্ট্যালিনের দলকে ছাড়াই শুরু ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক, সোনিয়ার পাশে বসে মমতা
-
পুলিশে বিরাট পরিবর্তন, ডায়মন্ড হারবার-সহ বদলে দেওয়া হল ১২ পুলিশ সুপারকে
-
‘বয়স নিয়ে রাইমা কখনও প্যানিক করে না’, হাওয়া বদলের মরশুমে খুনসুটি পরমব্রতর
-
স্বরূপকে সঙ্গে নিয়ে অরূপের বাড়িতে পুলিশ, মেসি কাণ্ডে থানায় হাজিরা নিয়ে জোর টানাপোড়েন
-
ফুটবলের অছিলায় জঙ্গি প্রবেশ! ইরানি ফুটবল টিমকে আমেরিকা বলল, ‘আসুন, খেলুন, ফিরে যান’