সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্ভয়া-কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত চারজনের ফাঁসি বহাল রেখে প্রশংসা যেমন কুড়িয়েছেন, তেমনি সিনেমা হলে জাতীয় সংগীত বাজানো বাধ্যতামূলক করার রায় নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি। দীর্ঘ কর্মজীবনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় ঘোষণা করেছেন বিচারপতি দীপক মিশ্র। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ৪৫তম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তিনি। ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের প্রধান বিচারপতির পদে থাকবেন বিচারপতি দীপক মিশ্র।
[লালুর সভার ভিড় ফটোশপের কারসাজি? তুলকালাম বিতর্ক]
১৯৭৭ সালে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন বিচারপতি দীপক মিশ্র। ১৯৯৮ সালে ওড়িশা হাই কোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হন তিনি। এক বছর ওড়িশা হাই কোর্টে কাজ করার পর, মধ্যপ্রদেশের বদলি হয়ে যান। ২০০৯ ও ২০১০ সালে পাটনা হাই কোর্ট ও দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্বও পালন করেছেন বিচারপতি মিশ্র। ২০১১ সালে অক্টোবরে দেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে যোগ দেন তিনি। আর এবার সুপ্রিম কোর্টের শীর্ষ পদে বসলেন বিচারপতি দীপক মিশ্র। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নেন তিন।
[এবার সব রক ব্যান্ডকে গাইতে হবে দেশাত্মবোধক গান, নির্দেশ কেন্দ্রের]
সুপ্রিম কোর্টে জমে থাকা মামলাগুলির নিষ্পত্তি করা তো বটেই, আগামী দিনে সুপ্রিম কোর্ট ও হাই কোর্টগুলির শূন্য পদে বিচারপতি নিয়োগ করার ক্ষেত্রেও দেশের নয়া প্রধান বিচারপতি কী পদক্ষেপ করেন, সেদিকেও নজর থাকবে আইনজীবী মহলের। এখন দেশের হাই কোর্টগুলিতে ৫৬ শতাংশ বিচারপতির পদই খালি। আগামী মঙ্গলবার অবসর নেবেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পি সি পন্থ। ফলে দেশের শীর্ষ আদালতে বিচারপতির শূন্যপদের সংখ্যা বেড়ে হবে ছয়। বিচারপতি নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের মতপার্থক্যের কারণেই শূন্য পদে বিচারপতি নিয়োগ করা যাচ্ছে না। এই অচলাবস্থা কাটাতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে অযোধ্যা বাবরি মসজিদ মামলা, কাবেরী জলবন্টন মামলা, কেরলের সবরিমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশাধিকার দেওয়া-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা শুনতে হবে বিচারপতি দীপক মিশ্রকে।
[সম্প্রীতির নজির! মন্দির কর্তৃপক্ষকে লাউডস্পিকার ‘উপহার’ মুসলিমদের]
তিনি যে একজন বিচক্ষণ বিচারপতি, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে বিচারপতি দীপক মিশ্রে অন্য একটি পরিচয়ও আছে। আইনজীবী মহলে সাহিত্য অনুরাগী হিসেবেও পরিচিত তিনি। আদালতে শুনানি চলাকালীন হামেশাই কবিতা ও শ্লোক থেকে উদ্ধৃতি দিতে দেখা গিয়েছে বিচারপতি দীপক মিশ্রকে। আইনজীবীদের সঙ্গে সাহিত্য নিয়ে আলোচনায়ও মেতে ওঠেন তিনি।
[সোনার মূর্তি, লুকানো গুপ্তধন! কী নেই ভারতের এইসব মন্দিরে]
সর্বশেষ খবর
-
বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পরেই বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, বিচারের আশায় সুটিয়া
-
যুদ্ধের পৃথিবীতে মহাকাব্যের ‘পুনর্জন্ম’, কেমন হল নোলানের ‘দ্য ওডিসি’
-
‘আমাদের ভিতরের একটা লোক ওদের মধ্যে’, বিধানসভায় মদনকে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য কুণালের, কী বললেন মমতার’কালারফুল বয়’?
-
১২০০০ কিমি দূরের বিশ্বকাপ ঘিরে রক্তাক্ত বাংলাদেশ, শুধুই ফুটবল উন্মাদনা নাকি কারণ গভীর?
-
গরিবকে অবহেলা! নিজেদের ‘চিকিৎসক’ বলে পরিচয় দেবেন না, ধর্ষিতার মৃত্যুতে ‘সুপ্রিম’ ভর্ৎসনা