Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
KM Joseph

‘যে ধর্মই হিংসা ছড়াক দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে’, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোসেফের

ঘৃণাভাষণ ও ধর্মীয় হিংসায় একাধিকবার গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন বিচারপতি কে এম জোসেফ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২৩, ১২:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২৩, ১২:৩২

options
link
‘যে ধর্মই হিংসা ছড়াক দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে’, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোসেফের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যে ধর্মের তরফেই ধর্মীয় হিংসা ছড়ানো হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিচারপতি হিসাবে নিজের কার্যকালের শেষ দিনে এমনটাই বললেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি কে এম জোসেফ। প্রসঙ্গত, ঘৃণাভাষণ ও ধর্মীয় হিংসা নিয়ে একাধিকবার গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন তিনি। বুধবারই বিচারপতি হিসাবে শেষবার তাঁর এজলাসে শুনানি হল। আগামী ১৬ জুন অবসর নেবেন বিচারপতি কে এম জোসেফ।

দেশ জুড়ে ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় হিংসা ও ঘৃণাভাষণের ঘটনায় একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শীর্ষ আদালতের এই বিচারপতি। কার্যকালের শেষ দিনেও একই অবস্থানে অনড় থাকলেন তিনি। ঘৃণাভাষণ আটকাতে নির্দেশিকা জারি করুক সুপ্রিম কোর্ট, এই মর্মে দায়ের হওয়া একটি মামলার শুনানি চলছিল বিচারপতি জোসেফের (KM Joseph) এজলাসে। সেখানেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন প্রবীণ বিচারপতি। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: অভিষেককে জেরা করতে পারবে CBI-ED, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় বহাল বিচারপতি অমৃতা সিনহার]

তাঁর মতে, “দেশের স্বার্থ ছাড়া অন্য কোনও স্বার্থের কথা ভাবাই উচিত নয়। ধর্ম বা অন্যান্য কোনও বিষয়কে গুরুত্ব না দিয়ে যদি ধর্মীয় হিংসার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তাহলেই আর সমস্যা থাকবে না। এইভাবেই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে।” অতীতেও অনেকবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে সওয়াল করেছেন বিচারপতি জোসেফ। ধর্মের ভিত্তিতে শহরের নাম বদলের মামলাও খারিজ করেন তিনি।

নিজে খ্রিস্টান হলেও হিন্দু ধর্ম পছন্দ করেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। হিন্দুধর্মের ভূয়সী প্রশংসা করে বিচারপতি জোসেফ বলেন, “আমি খ্রিস্টান হলেও হিন্দুধর্ম খুব পছন্দ করি। মহান হিন্দু ধর্মকে খাটো করে দেখানো উচিত নয়। উপনিষদ, বেদ, ভগবদ গীতায় যেভাবে হিন্দুধর্মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, কোনও সমাজের পক্ষেই সেই উচ্চতায় ওঠা সম্ভব নয়। এই ধর্মকে নিয়ে আমাদের গর্বিত হওয়া উচিত। কেউ যেন এই ধর্মের আদর্শকে ছোট না করে, সেদিকে নজর রাখতে হবে।”

[আরও পড়ুন: এগরা বিস্ফোরণ: ৪৮ ঘণ্টা পর মিলল সাফল্য, ওড়িশা থেকে পুলিশের জালে ভানু বাগ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.