BREAKING NEWS

২৮ শ্রাবণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

‘প্রতিভাবানরা কংগ্রেসে মর্যাদা পান না’, পাইলটের পাশে দাঁড়িয়ে টুইট জ্যোতিরাদিত্যর

Published by: Paramita Paul |    Posted: July 12, 2020 7:39 pm|    Updated: July 12, 2020 7:44 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক : দলে উপযুক্ত গুরুত্ব মিলছে না অভিযোগ করে দল ছেড়েছিলেন মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia)। রাজস্থানের উপ-মুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলট (Sachin Pilot) এবার সেই পথে হাঁটছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাক্তন সতীর্থের পাশে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বকে কটাক্ষ করলেন মধ্যপ্রদেশের মহারাজ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। 

রাজস্থান কংগ্রেসে টালমাটালের মাঝেই রবিবার টুইট করেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia)। লেখেন, ” প্রাক্তন সতীর্খ শচীন পাইলটের অবস্থা দেখে আমি দুঃখিত। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট (Ahok Gehlot) তাঁকে কোনঠাসা করতে চাইছেন দেখে কষ্ট হচ্ছে। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে, প্রতিভা ও সামর্থ্য কংগ্রেসে গুরুত্ব পায় না।” প্রসঙ্গত, শচীন এবং জ্যোতিরাদিত্য, দুজনেই কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ঘনিষ্ঠ। মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানকে বিজেপির দখল থেকে ছিনিয়ে নিতে তাঁদের অবদান ছিল অনেকটাই। কিন্তু দুজনের কেউই দলের অন্দরে যোগ্য মর্যাদা পাননি বলে ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে (Jyotiraditya Scindia) উপমুখ্যমন্ত্রী করে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী করা হয় কমল নাথকে। এদিকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হন অশোক গেহলট। উপ মুখ্যমন্ত্রী হন শচীন। সেই সময় রাহুল গান্ধীও (Rahul Gandhi) কোনও হস্তক্ষেপ করেননি বলে দল ছাড়ার পর অভিযোগ করেন সিন্ধিয়া। 

[আরও পড়ুন : পাইলটকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও সরাতে চান গেহলট? কোন পথে রাজস্থান?]

এর ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুজনের মনেই ক্ষোভ বেড়েছে। রাজস্থানে একাধিকবার অশোক গেহলট ও শচীন পাইলটের মধ্যের চাপানউতোর সামনে এসেছে। কুরসি নিয়ে টানাপোড়েন চলাকালীন পাইলটকে উপমুখ্যমন্ত্রী এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ দিয়ে সন্তুষ্ট রাখা হয়। পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হলেও সেসময় সেই ‘চুক্তি’ মেনে নেন তরুণ নেতা। কিন্তু এখন নাকি তাঁকে কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতির পদ থেকেও সরাতে চাইছেন গেহলট। তিনি চাইছেন, নিজের পছন্দের কাউকে ওই পদে বসাতে। পাইলট ঘনিষ্ঠ নেতারা সেটাই দাবি করছেন। আর সেজন্যই যত গোলযোগ। এমন পরিস্থিতিতে বন্ধু পাশে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন দলকে কটাক্ষ করার সুয়োগ হাতছাড়া করলেন না জ্যোতিরাদিত্যও। 

[আরও পড়ুন : সত্যিই নড়বড়ে রাজস্থান সরকার! ১২ জন বিধায়ক-সহ দিল্লিতে ‘বিক্ষুব্ধ’ শচীন পাইলট]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement