Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

‘দিনটাই খারাপ যাবে’, মহুয়াকে দেখেই স্বগতোক্তি কল্যাণের! তারপর…

মুখ্যমন্ত্রীর ভারচুয়াল বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে মুখোমুখি কল্যাণ-মহুয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৫, ১৯:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৫, ১৯:৩৩

options
link
‘দিনটাই খারাপ যাবে’, মহুয়াকে দেখেই স্বগতোক্তি কল্যাণের! তারপর… zoom

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: মহুয়া মৈত্র-কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বন্দ্ব কারও অজানা নয়। বারবার আক্রমণ-পালটা আক্রমণের পথে হেঁটেছেন দুই তৃণমূল সাংসদ। এসবের মাঝে সোমবার দিল্লিতে মহুয়াকে দেখামাত্রই একরাশ বিরক্ত প্রকাশ করলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ। বলে বসলেন, “দিনটাই খারাপ যাবে।” মুখ ঘুরিয়ে চলে গেলেন মহুয়াও। আরও একবার প্রকাশ্যে ধরা পড়ে গেল দু’জনের দ্বন্দ্ব।

শনিবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মহুয়া মৈত্র নিজেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে রীতিমতো কড়া কড়া শব্দ প্রয়োগ করেন। বলেন, “শুয়োরদের সঙ্গে আমি কুস্তি করতে পারব না।” রবিবার পালটা দিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তার ২৪ ঘণ্টা পেরতে না পেরতেই সোমবার দিল্লিতে মুখোমুখি দুই সাংসদ। এদিন দলের সাংসদদের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েই প্রায় সামনাসামনি পড়ে যান মহুয়া ও কল্যাণ। মহুয়া কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা মাত্রই মুখ ঘুরিয়ে ভিতরে চলে যান।

Advertisement

এদিকে কল্যাণ ঢুকেই মহুয়াকে দেখেই যে বিরক্ত হন, তা তার চোখে মুখে ফুটে ওঠে। প্রকাশ্যেই বলে বসলেন, “দিনটাই খারাপ যাবে।” এরপর দুজনই চলে যান ভিতরে। বৈঠকের থেকে বেরিয়ে চিফ হুইপ পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত জানান কল্যাণ। এরপরই মহুয়াকে একহাত নেন তিনি। বলেন, “ভালো ভালো শাড়ি পরে এলেই বড় কিছু হয়ে যায় না। কাজ তো আমাকেই করতে হয়।” এক্স হ্যান্ডেলে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। মহুয়ার ‘শুয়োর’ মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেন তিনি। 

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের নবীন-প্রবীণ জনপ্রতিনিধি মহুয়া মৈত্র ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। একদা দিল্লিতে দলের কর্মসূচি থেকেই তার সূত্রপাত। সেসময় মহুয়ার উদ্দেশে কুরুচিকর মন্তব্য করায় সাংসদের তীব্র রোষের মুখে পড়তে হয়েছিল কল্যাণকে। সেবার তিনি কল্যাণের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করতেও যাচ্ছিলেন। তাঁকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আসরে নামেন দলের আরেক সেলেব সাংসদ। তাতে সাময়িক উত্তেজনা প্রশমন হলেও পরে মহুয়া দলকে চিঠি লিখে সবটা জানিয়েছিলেন। সেই চিঠি প্রকাশ্যেও চলে আসে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.