ভাঙনের পরে এবার প্রতিশোধের পথে হাঁটতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস? সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) কথায় তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে। ‘আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আশা করি একটা কিছু দেখতে পাবেন।’ দাবি কল্যাণের। তবে কী ঘটবে, তা খোলসা করেননি আইনজীবী। প্রসঙ্গত, তৃণমূলের পরিচয়েই এখনও সংসদের অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন বিক্ষুদ্ধ সাংসদরা। এখনও লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে মান্যতা পায়নি মান্যতা পায়নি এনসিপিআই। মঙ্গলবারই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ২০ সাংসদ, সেখানেও তৃণমূলের পরিচয়। এবার এই ২০ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনটাই ইঙ্গিত দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এরা সবাই গদ্দার। পশ্চিমবঙ্গে একসঙ্গে এত গদ্দার জন্মায়নি আগে। মির্জাফর একজন বেইমান ছিল, এখানে ২০ টা গদ্দার। যেদিন থেকে ওরা এনসিপিআই-তে গিয়েছে, সেদিন থেকেই ডিফেকশন লাগু হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি আমি। এরা ডিফেক্টেড এমপি।”
আরও পড়ুন:
এনসিপিআই সাংসদদের এনডিএ বৈঠকে যোগদান নিয়ে তৃণমল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এরা সবাই গদ্দার। পশ্চিমবঙ্গে একসঙ্গে এত গদ্দার জন্মায়নি আগে। মিরজাফর একজন বেইমান ছিল, এখানে ২০ টা গদ্দার। যেদিন থেকে ওরা এনসিপিআই-তে গিয়েছে, সেদিন থেকেই ডিফেকশন লাগু হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি আমি। এরা ডিফেক্টেড এমপি। তাই ওরা কোথায় মিটিংয়ে গিয়েছে, যায় আসে না। ২০ জন মিলে একটা মিটিং ডাকতে পারেনি কলকাতায়। কেউ ঘুরে বেড়াচ্ছে, কেউ বড় বড় কথা বলছে। কেউ হাওয়ায় উড়ছে। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী, যেদিন থেকে ওরা গিয়েছে, সেদিন থেকে আর মেম্বারশিপ নেই। সুপ্রিম কোর্ট যদি সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেটাই সিদ্ধান্ত হবে। দুই-তৃতীয়াশের হিসাবে হয় না। সেটা আসল পার্টি গেলে হয়।”
২১ জুলাইয়ের পরও বিক্ষুব্ধ বিধায়ক-সাংসদদের জন্য দরজা খোলা আছে কি না, সেই প্রশ্ন করা হলে কল্যাণ বলেন, “আগামী সপ্তাহের পরই আশা করি একটা কিছু দেখতে পাবেন। একটু অপেক্ষা করুন। আগামী সপ্তাহ বা তার পরে আমার কাছে আসতে হবে।”
প্রসঙ্গত, প্রথম বৈঠকে ডাক না পেলেও, সংসদে এনডিএ-র তাবড় নেতাদের পাশে বসে থাকতে দেখা গেছে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। তবে এনডিএ-র দ্বিতীয় বৈঠকে সামিল হয়েছিল এনসিপিআই। স্পিকারের কাছে আর্জি নিয়ে কল্যাণ বলেন, “স্পিকার সিদ্ধান্ত নেননি বলে তো আমরা বসে থাকতে পারিনা। আমি তাই পরামর্শ দিয়েছি যে সুপ্রিম কোর্টে যান। এবার আমাদের দলের তো বড় বড় আইনজীবী আছে, তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।” ২১ জুলাইয়ের পরও বিক্ষুব্ধ বিধায়ক-সাংসদদের জন্য দরজা খোলা আছে কি না, সেই প্রশ্ন করা হলে কল্যাণ বলেন, “আগামী সপ্তাহের পরই আশা করি একটা কিছু দেখতে পাবেন। একটু অপেক্ষা করুন। আগামী সপ্তাহ বা তার পরে আমার কাছে আসতে হবে।”
কল্যাণ জানান, অভিষেকের সঙ্গে ফোনে কথা না হলেও তিনি মেসেজে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া উচিত বলে অভিষেকের কাছে আবেদনও করেছেন। মমতা-অভিষেকের তরফে সম্মতি এলেই এনসিপিআই-এর বৈধতা এবং ২০ সাংসদের দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু হওয়ার বিষয় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হতে পারে।
সর্বশেষ খবর
-
হম্বিতম্বিই সার! ঝাড়খণ্ডের আদানি প্ল্যান্টের বিদ্যুতেই আলো জ্বলবে বাংলাদেশে
-
তেলের খনিতে বসেও নেই পেট্রল! যুদ্ধ আবহে ভারত থেকে রেকর্ড জ্বালানি আমদানি রাশিয়ার
-
‘বিগ বসে’ যেতেই প্রিয় লাফটারসেনে বিরক্ত অনুরাগীরা! ‘স্ক্রিপ্ট আদৌ নিজে লিখতেন?’, প্রশ্ন নেটদুনিয়ার
-
একেনের কেরল অভিযানে অপারেশন সিঁদুর যোগ! টিজার মুক্তিতে বাড়ছে উন্মাদনা
-
নিজের ভালোর জন্যই ফটোগ্রাফারের সঙ্গে ঝামেলা! ইউএস ওপেন হেরে ব্যাখ্যা সাবালেঙ্কার