Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
ব্যাংক

৩৫৪ কোটি টাকা ব্যাংক জালিয়াতির অভিযোগ, ধৃত কমল নাথের ভাগনে

এই অভিযোগে এফআইআর দায়ের হয়েছে কমল নাথের বোনের নামেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৯, ১২:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৯, ১২:৫৪

options
link
৩৫৪ কোটি টাকা ব্যাংক জালিয়াতির অভিযোগ, ধৃত কমল নাথের ভাগনে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যাংক জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের ভাগনে রাতুল পুরী। সোমবার দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন ইডির আধিকারিকরা। সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার ৩৫৪ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা জালিয়াতি করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর নামে। একই মামলায় রাতুল, তাঁর মা নীতা পুরী ও দীপক পুরী-সহ অন্যদের নামে একটি এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই। সোমবার রাতুল পুরীর সঙ্গে সম্পর্কিত ৬টি জায়গায় তল্লাশিও চালায়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে।

[আরও পড়ুন: উন্নাও দুর্ঘটনার তদন্ত ২ সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে হবে, সিবিআইকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের]

গত কয়েকমাসে কখনও কর ফাঁকি তো কখনও অগস্টা ওয়েস্টল্যান্ড মামলার জন্য কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির জেরার মুখে পড়তে হয়েছিল রাতুল পুরীকে। গত ২৮ জুলাই অগস্টা ওয়েস্টল্যান্ড চপার কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানো ওই শিল্পপতিকে দিল্লিতে জেরার জন্য ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু, জেরা চলাকালীন বাথরুম যাওয়ার নাম করে পালিয়ে যান তিনি। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়েছিল। আদালতের রক্ষাকবচের কারণে সেই মুহূর্তে তাঁকে গ্রেপ্তার হয়তো করা যায়নি। কিন্তু, এই ঘটনা চাপ বাড়িয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির উপর। অগস্টা ওয়েস্টল্যান্ড মামলায় থাকা দিল্লি হাই কোর্টের রক্ষাকবচ শেষ হওয়ার কথা মঙ্গলবার। ঠিক তার আগেরদিন ব্যাংক জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার করা হল কমল নাথের ভাগনে রাতুল পুরীকে।

Advertisement

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ আগস্ট সেন্ট্রাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষের তরফে একটি অভিযোগ করা হয়। তাতে উল্লেখ করা হয়েছিল যে রাতুল পুরী ও ইলেকট্রনিক সংস্থা মোজার বিয়ারের চার ডিরেক্টর ৩৫৪ কোটি টাকা জালিয়াতি করেছেন। তারপরই আলাদা ভাবে তদন্তে নামে ইডি ও সিবিআই। তদন্তে উঠে আসে রাতুল ২০১২ সালে ওই কোম্পানির এগজিকিউটিভ ডিরেক্টরের পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। কিন্তু, তাঁর পরিবারের সদস্যরা স্বপদেই বহাল ছিলেন।

[আরও পড়ুন: বিচ্ছিন্নতাবাদী গিলানিকে ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়ার অভিযোগ, বরখাস্ত দুই BSNL কর্মী]

সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে, এমবিআইএল অভিযোগকারী ব্যাংকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এভাবে নিজেরা লাভ করে সাধারণ মানুষের টাকায় চলা ব্যাংকের লোকসান করিয়েছে।

এপ্রসঙ্গে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ বলেন, ‘ওরা যে ব্যবসা করত তার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই। আমার মতে এটা পুরোপুরি একটা ষড়যন্ত্র। তবে আদালতের উপর আমার পুরো ভরসা আছে। আমি বিশ্বাস করি তারা এই বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপই নেবে।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.