৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মানা হয়নি সরকারি নির্দেশ৷ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানিকে ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়ার অভিযোগে দুই কর্মীকে বরখাস্ত করল বিএসএনএল৷ জানা গিয়েছে, ৩৭০ ধারা বাতিলের পর গুজব আটকাতে গোটা উপত্যকায় যখন ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সরকার, তখন গিলানির বাড়িতে পরিষেবা চালু রেখেছিল অভিযুক্তরা৷ 

[ আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের জাত চিনতে বিভিন্ন রংয়ের রিস্ত ব্যান্ড! বিতর্কে তামিলনাড়ুর একাধিক স্কুল]

গত ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে বিলুপ্ত হয়েছে ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা৷ ঠিক এর আগের দিন অর্থাৎ ৪ আগস্ট গোটা উপত্যকায় ইন্টারনেট ও টেলিফোন ব্যবস্থা বন্ধের নির্দেশ দেয় কেন্দ্র৷ গুজব বা উসকানি রুখতে সেমতোই টেলিফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা স্তব্ধ করে বিএসএনএল৷ উপত্যকার দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এবং মেহবুবা মুফতিকে নজরবন্দি করে প্রশাসন৷ অভিযোগ, গোটা উপত্যকা যখন বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল, তখন কেবলমাত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ গিলানির বাড়ির ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু ছিল৷ ফলে ৮ আগস্ট ভোর পর্যন্ত টুইট করতে সক্ষম হয় সে৷ এমনকী সকলের অগোচরে ফোনে বাইরের জগতের সঙ্গেও পুরোদমে যোগাযোগ রাখে এই শীর্ষ বিচ্ছিন্তাবাদী নেতা৷ কিন্তু বিএসএনএল কর্তৃপক্ষের কাছে এই বিষয়ে কোনও তথ্যই এসে পৌঁছায় না৷ ফলে অন্ধকারে থেকে যায় গোটা ঘটনা৷

[ আরও পড়ুন: দেহব্যবসায় বাধ্য করছিল মা, প্রতিবাদ করায় নাবালিকা বোনকে ধর্ষণ দাদার ]

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রের খবর, বিষয়টি প্রথম সকলের নজরে আসে যখন কেন্দ্রের তরফে টুইটার কর্তৃপক্ষের কাছে আটটি অ্যাকাউন্ট বন্ধের আরজি জানানো হয়৷ বলা হয়, এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে কাশ্মীর সম্পর্কে উসকানিমূলক বার্তা ছড়ানো হচ্ছে৷ এবং উপত্যকাকে উত্তপ্ত করে তোলার চেষ্টা হচ্ছে৷ তখনই নজরে আসে যে, গোটা উপত্যকায় ইন্টারনেট বন্ধ থাকলেও ৮ তারিখ ভোর পর্যন্ত টুইটার ব্যবহার করেছেন হুরিয়ত নেতা সৈয়দ গিলানি৷ বিষয়টি জানার পরই খোঁজ শুরু করে বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ৷ আর তাতেই ধরা পরে মূল অভিযুক্তরা৷ সঙ্গে সঙ্গে তাদের বরখাস্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ৷ সূত্রের খবর, এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও নিতে পারে প্রশাসন৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং