Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Siddaramaiah

রাজ্যপাট শেষ, কর্নাটকের মসনদে শিবকুমার, ‘প্রাক্তন’ সিদ্দারামাইয়াকে কী বার্তা দিল কংগ্রেস?

বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে বসেন সিদ্দা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শিবকুমারও। ওই বৈঠকেই বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। পাশাপাশি, উত্তরসূরি হিসাবে শিবকুমারের নাম অনুমোদন করেন। বৈঠক শেষে সিদ্দার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন শিবকুমার। এরপরই লোকভবনে গিয়ে ইস্তফাপত্র জমা দেন সিদ্দা। যদিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। রাজ্যপালের সচিবের হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দেন সিদ্দা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৬, ১২:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৬, ১২:২৮

options
link
রাজ্যপাট শেষ, কর্নাটকের মসনদে শিবকুমার, ‘প্রাক্তন’ সিদ্দারামাইয়াকে কী বার্তা দিল কংগ্রেস? zoom
(বাঁ দিকে) ডিকে শিবকুমার এবং সিদ্দারামাইয়া (ডান দিকে) ।
Advertisement

তাঁর আট বছরের রাজ্যপাট শেষ। কর্নাটকের মসনদে বসেছেন ডিকে শিবকুমার। আগামী ৩ জুন অর্থাৎ বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে পারেন তিনি। তার আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে বিশেষ বার্তা দিল কংগ্রেস। জানিয়ে দিল, হাত শিবির তাঁকে বিশ্রাম নিতে দেবে না।

শনিবার বেঙ্গালুরুতে কংগ্রেসের পরিষদীয় দল একটি বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানে পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন শিবকুমার। এরপরই কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপাল সিদ্দাকে সরাসরি বার্তা দেন। তিনি বলেন, “আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, সিদ্দারামাইয়া জি’ সকলের মন জয় করেছেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়েছেন, ওরা ভেবেছিল কর্নাটকের ক্ষমতা হস্তান্তর সহজ হবে না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা সিদ্দারামাইয়া জি’কে বিশ্রাম নিতে দেব না। শুধু কর্ণাটকে নয়, জাতীয় স্তরেও কংগ্রেসের জন্য আপনার অবদান প্রয়োজন।”

Advertisement

বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে বসেন সিদ্দা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শিবকুমারও। ওই বৈঠকেই বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। পাশাপাশি, উত্তরসূরি হিসাবে শিবকুমারের নাম অনুমোদন করেন। বৈঠক শেষে সিদ্দার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন শিবকুমার। এরপরই লোকভবনে গিয়ে ইস্তফাপত্র জমা দেন সিদ্দা। যদিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। রাজ্যপালের সচিবের হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দেন সিদ্দা।

এরপর শুক্রবার দিল্লির ১০ জনপথে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে আরও একদফা বৈঠক হয়। রাহুল ও খাড়গের উপস্থিতিতে সেই বৈঠকে নিজের দাবি দাওয়া পেশ করেন সিদ্দারামাইয়া। এমএলসি পদে নিয়োগের জন্য নামের তালিকা পেশ করেন। এর পাশাপাশি মন্ত্রিসভায় কাদের নিয়োগ করতে হবে সে তালিকাও দেওয়া হয় হাইকমান্ডকে। এছাড়াও, তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন যে দপ্তরগুলি শিবকুমারের হাতে ছিল সেগুলি যাতে সিদ্দাপুত্র যতীন্দ্রকে দেওয়া হয় সেই দাবিও রাখেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। এই তালিকায় রয়েছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অনগ্রসর জাতি কল্যাণ, শিল্প বা জলসম্পদ দপ্তর। এদিকে শিবকুমারের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করলেও হাই কমান্ডের তরফে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর পরিকল্পনা করা হলেও সে প্রস্তাব খারিজ করেছেন সিদ্দা। জানিয়ে দিয়েছেন, কর্নাটক রাজনীতিতে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকতে চান তিনি। অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়লেও কর্নাটকে কংগ্রেসের রাশ নিজের হাতে রাখতেই আগ্রহী সিদ্দারামাইয়া।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.