Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Karnataka ignores corona warriors

করোনা যোদ্ধাদের সঙ্গে বঞ্চনা! ৬৫০ চিকিৎসককে তিন মাস মাইনে দেয়নি কর্ণাটক সরকার

খুব তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধান হবে, আশ্বাস ইয়েদুরাপ্পা প্রশাসনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০২০, ১৬:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০২০, ১৬:৫৪

options
link
করোনা যোদ্ধাদের সঙ্গে বঞ্চনা! ৬৫০ চিকিৎসককে তিন মাস মাইনে দেয়নি কর্ণাটক সরকার zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকমাস করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ যখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে তখন চিকিৎসকদের যোদ্ধার সম্মান দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের অনু্প্রাণিত করার জন্য দেশের সাধারণ নাগরিকদের বিভিন্ন টাস্কও দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চারিদিকে আচমকা তাঁদের জন্য প্রশংসার ঝড় বইছে দেখে কিছুটা হকচকিয়ে গিয়েছিলেন অনেক চিকিৎসক! কিন্তু, আস্তে আস্তে সেই মোহ কাটিয়ে বাস্তবের কঠিন রূপ ফের চোখে পড়ছে তাঁদের। দেশের বিভিন্ন জায়গাতেই স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকদের সঙ্গে বঞ্চনা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। এবার জানা গেল কর্ণাটকের ৬৫০ জন চিকিৎসককে তিন মাস ধরে মাইনে দিচ্ছে না বিএস ইয়েদুরাপ্পার সরকার। এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসার পরে বিজেপি শাসিত ওই সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকমাস ধরে কর্ণাটক (Karnataka) -এর সরকার পরিচালিত হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে করোনা আক্রান্তদের সুস্থ করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ইতিমধ্যে ৮০০ জনের বেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে রাজ্যের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় করোনা মহামারীর সঙ্গে মোকাবিলার জন্য পাঠানো হয়েছে। সেখানে দিনরাত পরিশ্রম করে আক্রান্তদের সুস্থ করেছেন তাঁরা। কিন্তু, তারপরও ৬৫০ চিকিৎসককে গত সেপ্টেম্বর থেকে মাইনে দেওয়া হচ্ছে না। এর ফলে তাঁরা প্রচণ্ড সমস্যায় পড়েছেন। পরিবারের অন্য সদস্য বা আত্মীয়দের থেকে টাকা ধার করে সংসার চালাচ্ছেন। সরকারের তরফে সমস্যা মেটানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এখনও কোনও সুরাহা হয়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: লাভ জেহাদের অভিযোগ, রেজিস্ট্রির আগে আদালত চত্বরে মুসলিম যুবককে গণপিটুনি]

এপ্রসঙ্গে এক চিকিৎসক ডা. সলমান বলেন (Dr Salman), ‘অনেক চিকিৎসক পরিবারের সদস্যদের থেকে ধার নিতে পারছেন না। কারণ বেশিরভাগ চিকিৎসকের পরিবারের সদস্যরা তাঁদের উপরই অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল। আমি বুঝে উঠতে পারছি না এখন তাঁদের কীভাবে চলছে। অনেক চিকিৎসককে আবার ব্যাংক থেকে নেওয়া শিক্ষা ঋণও পরিশোধ করতে হচ্ছে। এই সমস্যাগুলি সরকারকে জানালেও তারা শুধু প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।’

[আরও পড়ুন: কৃষক আন্দোলনের মঞ্চে হিন্দুদের অসম্মান, যুবরাজের বাবার গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব নেটদুনিয়া]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.