Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
speakers within mosques

‘পড়ুয়াদের সমস্যা হয়, মসজিদের ভিতরেই লাউডস্পিকার ব্যবহার করুন’, পরামর্শ মন্ত্রীর

মসজিদে নমাজ পড়ার সময় লাউডস্পিকার ব্যবহার ঘিরে বিতর্ক চলছেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২২, ২১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২২, ২১:৩৮

options
link
‘পড়ুয়াদের সমস্যা হয়, মসজিদের ভিতরেই লাউডস্পিকার ব্যবহার করুন’, পরামর্শ মন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মসজিদে (Mosques) নমাজ পড়ার সময় লাউডস্পিকার ব্যবহার ঘিরে বিতর্ক চলছেই। সেই বিতর্কের আঁচ আরও কিছুটা বাড়িয়ে দিলেন বিজেপিশাসিত কর্ণাটকের (Karnataka) এক মন্ত্রী। কে এস ঈশ্বরাপ্পার কথায়, “নমাজ নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু নমাজ পাঠের সময় লাউডস্পিকার ব্যবহারের ঘোর বিরোধী। মসজিদের ভিতরে লাউডস্পিকার (Loudspeaker) ব্যবহারের বিষয়ে মুসলিম ধর্মগুরুদের ভাবা উচিত।”

প্রসঙ্গত, কর্ণাটকের কলেজে পড়ুয়াদের হিজাব পরা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। সেই বিতর্কের জল গড়িয়েছিল আদালত অবধি। এার সেই রাজ্যের মন্ত্রীর গলাতেও শোনা গেল মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহারের বিরোধিতার সুর। দিন কয়েক আগেই মহারাষ্ট্রের নব নির্মাণ সেনার প্রধান রাজ ঠাকরে মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার বন্ধের দাবিতে সরব হয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়েই এহেন মন্তব্য করলেন কর্ণাটকের মন্ত্রী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে জোর, এবার শিয়ালদহ স্টেশনে তৈরি হচ্ছে ‘পারাবোলা’]

কে এস ঈশ্বরাপ্পার কথায়, “ইসলাম ধর্মগুরুদের বুঝিয়ে, নিজেদের পক্ষে এনে মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার বন্ধ করাই যায়। নমাজ পাঠের সময় লাউডস্পিকার ব্যবহারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই সরব একাংশ। অভিযোগ, এটা সকাল-বিকেলে পড়ুয়া এবং রোগীদের বিরক্ত করে।” তাঁর আরও সংযোজন, “নমাজ পাঠ নিয়ে আমার কোনও সমস্যা নেই। এর বিরোধিতাও করছি না। কিন্তু ধর্মীয় প্রার্থনার জন্য মসজিদের মতো মন্দির-গির্জাতেও লাউডস্পিকার ব্যবহৃত হলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ তৈরি করবে।” মুসলিম ধর্মগুরুদের কাছে মন্ত্রীর আরজি, “এ বিষয়টা নিয়ে আপনারা ভাবনাচিন্তা করলে ভাল হয়। মসজিদের ভিতরে লাউডস্পিকার ব্যবহার করুন। তাহলে আর কেউ বিরক্ত হবে না।”

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার প্রধান মারাঠি নববর্ষ উপলক্ষে দিন কয়েক আগে রীতিমতো হুঙ্কার ছেড়ে বলেন, “মসজিদে কেউ প্রার্থনা করতেই পারেন। আমি কারও প্রার্থনার বিরোধী নই। কিন্তু মহারাষ্ট্র সরকারকে মসজিদে মাইক বন্ধ করা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মসজিদে আপনারা কেন মাইক বাজান? ইসলাম (Islam) ধর্ম যখন প্রতিষ্ঠা হয় তখন তো মাইক ছিল না।” এরপরই রাজ ঠাকরের (Raj Thackeray) হুঁশিয়ারি, “সরকার যদি মসজিদে মাইক ব্যবহার বন্ধ না করে, তাহলে এমএনএস কর্মীরা সব মসজিদের সামনে মাইক লাগিয়ে হনুমান চালিসা বাজাবে।” এবার সেই সুরই শোনা গেল কর্ণাটকের মন্ত্রীর গলাতেও। 

[আরও পড়ুন: জীবনযুদ্ধে হার, দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.