Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Karnataka

ভোটের আগে কর্ণাটকে প্রত্যাহার মুসলিম সংরক্ষণ, আসন ভাগ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে

রাজ্যের মোট আসন সংরক্ষণ ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হল ৫৬ শতাংশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৩, ১১:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৩, ১১:৫৪

options
link
ভোটের আগে কর্ণাটকে প্রত্যাহার মুসলিম সংরক্ষণ, আসন ভাগ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এপ্রিলেই কর্ণাটকে বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগেই ক্যাবিনেটে বড়সড় বদলের কথা ঘোষণা করল বাসবরাজ বোম্মাই সরকার। জানিয়ে দেওয়া হল, মুসলিমদের ৪ শতাংশ সংরক্ষণ প্রত্যাহার করা হল। পাশাপাশি রাজ্যের মোট আসন সংরক্ষণ ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হল ৫৬ শতাংশ।

বোম্মাইয়ের রাজ্যে এর আগে মুসলিমদের জন্য যে ৪ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল, তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। শুক্রবার কর্ণাটক সরকারের ক্যাবিনেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, এবার থেকে আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য যে ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকে, তার অধীনেই রাজ্যের মুসলিমদের সংরক্ষণ দেওয়া হবে। এদিকে, রাজ্যে ওবিসি মুসলিমদের জন্য শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে যে ৪ শতাংশ আসন এতকাল সংরক্ষিত থাকত, তা তুলে দেওয়া হল। এই সংরক্ষণ এবার পাবেন দুই সম্প্রদায় ভোক্কালিগা ও লিঙ্গায়তরা। আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য যে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ থাকে, মুসলিমদের সংরক্ষণকে তার অন্তর্গত করা হয়েছে। ভোক্কালিগাদের জন্য ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করা হল সংরক্ষণ। পঞ্চমাসালি, লিঙ্গায়তদের জন্যও সংরক্ষণ বাড়ল একই হারে। পাশাপাশি তফসিলিদের জন্য় সংরক্ষণ ১৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হল ১৭ শতাংশ। শিডিউল ট্রাইবের জন্য ৩ থেকে ৭ শতাংশ হল সংরক্ষণ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘খোঁজখবর রাখিস, মেয়েটা একা আছে’, অনুব্রতকন্যার দিকে নজর রাখার পরামর্শ মমতার]

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বলেন, “আমরা বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ক্য়াবিনেটের সাব-কমিটি রাজ্যের সংরক্ষণের বিভাজনে বেশ কিছু বদলের পরামর্শ দিয়েছিল। সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার থেকে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আরও পিছিয়ে পড়া শ্রেণি ও সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া শ্রেণিতে ভেঙে যাবে। ধর্মীয় সংরক্ষণ তুলে তাদের আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে সংরক্ষণের শর্তে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।”

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের তরফে দেশের যেকোনও রাজ্যে সংরক্ষণের সর্বোচ্চ হার ৫০ শতাংশে বেধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা ৫৬ শতাংশ করে শীর্ষ আদালতের সুপারিশ অমান্য করা হয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

[আরও পড়ুন: ‘মোদি মানে দুর্নীতি’, রাহুল গান্ধী দোষী সাব্যস্ত হতেই ভাইরাল বিজেপি নেত্রীর পুরনো টুইট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.