Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

প্রাণনাশের হুমকি আসছে পাকিস্তান থেকে, অভিযোগ জম্মু-কাশ্মীরের বিজেপি সভাপতির

চিন্তায় প্রশাসন, বাড়ান হল নিরাপত্তা৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০১৮, ২১:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০১৮, ২১:১২

options
link
প্রাণনাশের হুমকি আসছে পাকিস্তান থেকে, অভিযোগ জম্মু-কাশ্মীরের বিজেপি সভাপতির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনবছর একসঙ্গে চলার পর সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে ভেঙেছে বিজেপি-পিডিপি জোট। এরই মাঝে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আনলেন জম্মু-কাশ্মীরের বিজেপি রাজ্য সভাপতি রবীন্দ্র রায়না৷ তিনি জানালেন, পাকিস্তান থেকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে অসংখ্য ফোন আসতে শুরু করেছে তাঁর কাছে৷ বলা হচ্ছে, কয়েকদিনের মধ্যেই খুন করা হবে তাঁকে৷ এখনই সাবধান হোক বিজেপি, নয়তো ভয়ঙ্কর ফল ভুগতে হবে ভবিষ্যতে৷

[মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী শিব সেনা থেকেই, বিজেপিকে ফের ধাক্কা উদ্ধবের]

Advertisement

বৃহস্পতিবার, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে জম্মু-কাশ্মীরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি৷ তাঁর পরেই সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থান থেকে একের পর এক ফোন আসছে তাঁর কাছে৷ সেখানে বলা হচ্ছে জম্মু-কাশ্মীরে রাজ্যপাল শাসন জারি করে এবং সেনার অভিযান শুরু করে বিজেপি নিজেদের জন্য প্রবল বিপদ ডেকে এনেছে৷ এর ফল দলের পাশাপাশি তাঁকেও ভুগতে হবে৷ রায়নার সংযোজনা, আগেও একাধিক সময়ে তাঁর কাছে হুমকি ফোন এসেছে৷ তবে মঙ্গলবার পিডিপির উপর থেকে বিজেপি সমর্থন তুলে নেওয়ায় এবং কাশ্মীরে সেনা অভিযান শুরু হওয়ায় সেই ফোনের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে৷ শুধু তাই নয়, পাশাপাশি এবার আর শুধু হুমকি আসছে না, প্রাণনাশের হুমকি মিলতে শুরু করেছে৷ কল লিস্ট চেক করে জানা গিয়েছে, মূলত লাহোর, করাচি, রাওলপিণ্ডি ও মুজাফফরবাদ থেকে আসছে হুমকি ফোনগুলি৷ বিষয়টি ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্যপাল এনএন বোহরাকে জানিয়েছেন রাজ্য সভাপতি রবীন্দ্র রায়না৷ বাড়ান হয়েছে তাঁর নিরাপত্তা৷

[যোগই বিশ্বকে এক সূত্রে বাঁধে, বার্তা প্রধানমন্ত্রীর]

প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীরে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ, সম্প্রতি এই দাবি তুলেই মুফতি সরকারের উপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছে বিজেপি৷ ইতিমধ্যে, সেখানে জারি হয়েছে রাজ্যপালের শাসন৷ উত্তপ্ত উপত্যকায় জোর কদমে জঙ্গি নিকেশের কাজ শুরু করেছে সেনা৷ তবে বিজেপির সমর্থন তুলে নেওয়ার কারণ নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে৷ একপক্ষের যুক্তি, মানুষের স্বার্থে জোট ভেঙেছে বিজেপি৷ উপত্যকায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সন্ত্রাসবাদকে মেটানো প্রয়োজন। অন্যদিকে বিরোধীদের যুক্তি, কাশ্মীর ইস্যুতে ডাহা ফেল করেছে মোদি সরকার। ফলে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে কাশ্মীর ট্রাম্প কার্ডকে ব্যবহার করতে চাইছে কেন্দ্র।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.