Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Lockdown

লকডাউনে লাটে ব্যবসা, দেনা শোধ করতে কিডনি বিক্রির বিজ্ঞাপন কাশ্মীরি ব্যবসায়ীর

পরপর দু’‌টি লকডাউনে ৯০ লক্ষ টাকার দেনা হয়েছে ওই ব্যবসায়ীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২০, ১৭:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২০, ১৭:০৮

options
link
লকডাউনে লাটে ব্যবসা, দেনা শোধ করতে কিডনি বিক্রির বিজ্ঞাপন কাশ্মীরি ব্যবসায়ীর zoom
ছবি:‌ প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাথার উপর ৯০ লক্ষ টাকার দেনা। দীর্ঘদিনের লকডাউনের (Lockdown) কারণে ব্যবসা লাটে উঠেছে.। ধার শোধ করতে তাই এবার সংবাদপত্রে নিজের কিডনি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিলেন কাশ্মীরের (Kashmir) এক ব্যবসায়ী। যা দেখে অবাক অনেকেই।

জানা গিয়েছে, স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমে নিজের কিডনি বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন দক্ষিণ কাশ্মীরের (South Kashmir) কুলগাম (Kulgam) জেলার কাজিগুন্দের নুস্সু গ্রামের বাসিন্দা সাবজার আহমেদ খান। দীর্ঘদিন ধরেই গাড়ির ব্যবসা করতেন। এছাড়া সরকারি কন্ট্রাক্টরও ছিলেন। কিন্তু পরপর দুটি লকডাউনে ব্যবসা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে বাড়তে থাকে দেনার পরিমাণ। তারপরই পরিবারের লোককে জানিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেন সাবজার।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মাস্ক পরতে আপত্তি খোদ প্রধানমন্ত্রীর! ভিডিও শেয়ার করে কটাক্ষ আম আদমি পার্টির]‌ ‌

আসলে করোনা আবহে (Corona Pandemic) দেশজুড়ে লকডাউনের আগেই কাশ্মীর উপত্যকায় জারি ছিল আরও একপ্রস্থ ‘‌লকডাউন’‌। গত বছর ৩৭০ ধারা রদের পরই ইন্টারনেট-সহ সমস্ত কিছু বহুদিন ধরেই বন্ধ ছিল সেখানে। অশান্তি এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত, জানিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু তাতে অনেক স্থানীয় ব্যবসায়ীই ক্ষতির সম্মুখীন হন। এরপর সবকিছু যখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের পথে তখন আবারও লকডাউন। ফলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ে।

একই অবস্থা হয় সাবজারেরও। ব্যবসা বন্ধ থাকায় দেনার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৯০ লক্ষ টাকা। বর্তমানে কাজ বন্ধ থাকায় বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। ছোটভাই শ্রমিকের কাজ করে সংসার খরচ চালান। এদিকে পাওনাদারদের টাকা ফেরত দিতে না পারার লজ্জা থেকেই শেষপর্যন্ত কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। বেআইনি জেনেও সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেন। এক সাক্ষাৎকারে জানান, ‘‌‘‌অনেকেই আমার কাছে টাকা পায়। কিন্তু আমি এখন নিঃস্ব। তাই ধার শোধ করতে কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিই।’’‌‌ ইতিমধ্যে বেশ কিছু ফোনও পেয়েছেন সাবজার। কেউ ২০ লক্ষ তো, কেউ ২৫ লক্ষ টাকা দিতে রাজি। তবে সাবজারের প্রয়োজন আরও অনেক বেশি অর্থের। তাই তিনি কিছুদিন অপেক্ষা করতে চান। এরপর যে বেশি টাকা দেবে, তাঁকেই নিজের কিডনি বিক্রি করবেন। একথাই জানান ওই কাশ্মীরি ব্যবসায়ী।

[আরও পড়ুন: দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের পর এবার ব্যাকড্রপে কোচবিহার রাজবাড়ি! ফের ‘বাংলা প্রীতি’ প্রধানমন্ত্রীর]‌ ‌

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.