Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

লোকসভা নির্বাচনের আগেই ভোট তেলেঙ্গানায়, মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন কেসিআর

'একসঙ্গে ভোট হলে সুবিধা পাবে কংগ্রেস।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮, ২১:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮, ২১:২৬

options
link
লোকসভা নির্বাচনের আগেই ভোট তেলেঙ্গানায়, মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন কেসিআর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল মন্ত্রিসভা ভেঙে দিতে পারেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। অবশেষে বৃহস্পতিবার সেই জল্পনায় সিলমোহর পড়ল। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী তথা তেলুগু দেশম পার্টি সুপ্রিমো কে চন্দ্রশেখর রাও সরকারিভাবে মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রিসভা ভাঙার প্রস্তাব পাশ করানো হয়। এরপর তিনি রাজভবনে যান। রাজ্যপাল ইএসএল নরসীমন এর কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাজ্যপাল তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে তাঁকে কেয়ারটেকার মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ করেছেন।

[সমকামিতা কোনও অপরাধ নয়, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের]

 

কিছুদিন ধরেই বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার জল্পনা চলছিল। গত রবিবার রঙ্গা রেড্ডি জেলায় তেলুগু দেশম পার্টির বিশাল সমাবেশ ছিল। সেই সমাবেশেই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন কেসিআর তেমনটাই প্রত্যাশা করছিলেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে, সেদিন কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত করেননি কেসিআর। সেদিনই জানিয়ে রেখেছিলেন দিল্লির দলগুলির ক্রীতদাস হয়ে তাঁরা থাকতে চান না। আসলে, আগামী বছরের মাঝামাঝি লোকসভা ভোটের সঙ্গে তেলেঙ্গানার ভোট একসঙ্গে হওয়ার কথা ছিল। লোকসভা-বিধানসভা একসঙ্গে হোক চাইছিলেন না তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ধারণা, লোকসভার সঙ্গে ভোট গলে জাতীয় দলগুলি বাড়তি সুবিধা পেয়ে যেতে পারে। তাই আগেভাগে বিধানসভা ভেঙে দিয়ে নির্বাচনের পথে হাঁটলেন কেসিআর।

[‘কদলী প্রজাতন্ত্র’ হতে চলেছে দেশ, বিজেপিকে তোপ শিব সেনার  ]

কেসিআরের সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ৬ মাসের মধ্যে তেলেঙ্গানাতেও নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং মিজোরামের সঙ্গে তেলেঙ্গানাতেও এবছরের শেষের দিকেই নির্বাচন করতে হবে কমিশনকে। রাজ্যভাগের পর প্রথম নির্বাচনে বড় সাফল্য পেয়েছিলেন চন্দ্রশেখর রাও। ১১৯টি আসনের মধ্যে তাঁর দল টিআরএস একাই ৬৩টি আসন পেয়েছিল। বিরোধীদের মধ্যে কংগ্রেস ২১টি এবং চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপি ১৫ টি আসন পেয়েছিল। সূত্রের খবর, আগামী নির্বাচনে একসঙ্গে লড়তে পারে টিডিপি, কংগ্রেস। দুটি দলই এই মুহূর্তে নয়াদিল্লিতে বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলনের পুরভাগে রয়েছে। কেসিআরের ভয়, লোকসভা-বিধানসভা একসঙ্গে হলে এই বিজেপি-বিরোধিতার হাওয়াই সুবিধা পেয়ে যেতে পারে রাজ্যের বিরোধীরা।  কেসিআরের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসও। তাদের দাবি, তেলেঙ্গানার মানুষ কেসিআরের হাত থেকে রক্ষা পেল, আগামী নির্বাচনে নিরঙ্কুশভাবে ক্ষমতায় ফিরছেন তাঁরা। 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.