Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Rahul Gandhi

‘দেশের নিরাপত্তার জন্য রাহুল বিপজ্জনক’, কংগ্রেস সাংসদকে বেনজির আক্রমণ রিজিজুর

দেশের নিরাপত্তার জন্য কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ভীষণ বিপজ্জনক। তাঁর সঙ্গে ভারত-বিরোধী শক্তি এবং মাওবাদীদের যোগ রয়েছে। লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৬:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৬:০৯

options
link
‘দেশের নিরাপত্তার জন্য রাহুল বিপজ্জনক’, কংগ্রেস সাংসদকে বেনজির আক্রমণ রিজিজুর zoom
(বাঁ দিকে) কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (ডান দিকে)। ফাইল চিত্র।

দেশের নিরাপত্তার জন্য কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ভীষণ বিপজ্জনক। তাঁর সঙ্গে ভারত-বিরোধী শক্তি এবং মাওবাদীদের যোগ রয়েছে। লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম এএনআই-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রিজিজু বলেন, “সংসদীয় গণতন্ত্রে সর্বদাই হট্টগোল এবং গোলমাল থাকবে। প্রতিটি দলের নিজস্ব এজেন্ডা থাকে এবং তারা সংসদে তা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে এসবের মাঝে কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে তা-ও দেখতে হবে। বিরোধী দলে থাকাকালীন আমরা স্পিকারের দিকে কাগজপত্র ছুঁড়ে মারিনি।” এরপরই রাহুলকে নিশানা করে তিনি বলেন, “একজন বিরোধী দলনেতা গোটা বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। সংসদের বাইরে চলে যাওয়া, মানুষজনকে বিশ্বাসঘাতক বলা, অপ্রকাশিত বই থেকে লাইন উদ্ধৃত করা – এই সবই শিশুসুলভ আচরণ।”

Advertisement

এপস্টেইন ফাইলসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম নিয়ে সম্প্রতি রাহুলকে বিরোধিতা করেছিলেন। সেই প্রসঙ্গটিও উথ্থাপন করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর কথায়, “রাহুল সর্বদা মিথ্যা কথা বলেন। যদি প্রধানমন্ত্রী কারও সঙ্গে দেখা করে থাকেন, অথবা যদি কোনও নথি থাকে, তাহলে তা উপস্থাপন করা হোক। জোর করে প্রধানমন্ত্রীর নাম সংযোজন করা হচ্ছে। এটা চরম হতাশার।” এরপরই রিজিজু বলেন, “ভারতের নিরাপত্তার জন্য রাহুল ভীষণ বিপজ্জনক। তাঁর সঙ্গে ভারত-বিরোধী শক্তি, মাওবাদী এবং চরমপন্থীদের যোগ রয়েছে। জর্জ সোরোসের মতো ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি দেখা করেন।”

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের রক্তক্ষয়ী গালওয়ান সংঘাত নিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধতে প্রাক্তন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানের অপ্রকাশিত বইকে হাতিয়ার করেছিলেন রাহুল। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সেনাপ্রধান ছিলেন নারাভানে। তাঁর ‘অপ্রকাশিত’ আত্মজীবনী ‘ফোর স্টারস অফ ডেস্টিনি’র কিছু অংশ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে একটি ম্যাগাজিনে। সেখানে লেখা হয়েছে, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে ট্যাঙ্ক নিয়ে কৈলাস রেঞ্জের দিকে এগোচ্ছিল চিনের সেনা। প্রাক্তন সেনাপ্রধান তা জানানোর পরেও নাকি মোদি কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তহীনতাকে তোপ দাগতেই নারাভানের বইকে হাতিয়ার করেন রাহুল। কিন্তু তাঁকে বাধা দেন স্পিকার, যা নিয়ে এখনও জারি রয়েছে বিতর্ক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.