সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি আইআইটি ক্যাম্পাসের ভিতরই মা ও স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক ল্যাব টেকনিশিয়ান। শুক্রবারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় আইআইটি চত্বরে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ল্যাব টেকনিশিয়ানের নাম গুলশান। স্ত্রী ও মাকে নিয়ে আইআইটি চত্বরের ভিতরেই থাকতেন তিনি। শুক্রবার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ফোন তোলেননি তিনি। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা দেখে, তিনজনই গলায় ফাঁস লাগিয়ে ফ্যান থেকে ঝুলছেন। তাঁদের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। যদিও ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।
[আরও পড়ুন: অস্থিরতা নিয়ে মোদিকে চিঠি, কৌশিক সেনের পর খুনের হুমকি পেলেন অনুরাগ কাশ্যপ]
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েক মাস আগেই বিয়ে হয়েছিল গুলশানের। তিনজনের সংসার কোনওক্রমে চলে যাচ্ছিল। কিন্তু আচমকা এমন সিদ্ধান্ত একসঙ্গে তাঁরা কেন নিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে সুইসাইড নোট না মেলায় ধোঁয়াশা আরও বেড়েছে। তাঁরা ব্যক্তিগত কারণে আত্মঘাতী হয়েছেন নাকি এর নেপথ্যে কারও প্ররোচনা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে পুলিশ। তবে এনিয়ে মুখ খুলতে চায়নি গুলশানের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
এদিকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজধানী দিল্লিতেই চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু হল ১৬ বছরের নাবালকের। পুলিশ জানায়, উত্তর-পশ্চিম দিল্লির আদর্শ নগর এলাকার একটি বাড়িতে চুরি করতে যাওয়ার সময় ধরা পড়ে যায় কিশোর। মালিক তাঁকে হাতে-নাতে ধরে ফেললে চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরাও। অভিযোগ, এরপরই বেধড়ক মারধর করা হয় কিশোরকে। হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ঘটনায় ওই বাড়ির মালিক-সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে আদর্শ নগর থানার পুলিশ। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
[আরও পড়ুন: ভাঙতে বসা প্রেম জুড়ে দিল প্রযুক্তি, ‘টেলিগ্রাম’ অ্যাপের হাত ধরে প্রেয়সীকে ফিরে পেলেন প্রেমিক]
সর্বশেষ খবর
-
কালীঘাট সূত্রই শেষ করবে দলকে! একুশের মঞ্চে মমতার সঙ্গে ‘ঝগড়া’র পর বিস্ফোরক কল্যাণ
-
অনশনের ২৭ দিন, অসুস্থ সোনমকে দেখতে মাঝরাতে হাসপাতালে জেপি নাড্ডা, জিতেন্দ্র
-
এবার রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব পদে ফিফা সভাপতি! ট্রাম্পের ‘আনুগত্যের পুরস্কার’ পাচ্ছেন ইনফান্তিনো?
-
ইরান যুদ্ধে মধ্যস্থতার ‘দাম’, আমেরিকার থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সাহায্য চাইল পাকিস্তান
-
প্রাণের বাইকই কাড়ল প্রাণ! গতির বলি কলকাতার রাইডার দেবাহুতি