Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Lalu Prasad Yadav

ভোটের আগে বিহারে নতুন সমীকরণ, লালুর হাত ধরছে বিজেপির শরিক দল!

শরিক হারালেও বিশেষ ক্ষতি হবে না, বলছে বিজেপি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৫, ১৪:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৫, ১৪:৩১

options
link
ভোটের আগে বিহারে নতুন সমীকরণ, লালুর হাত ধরছে বিজেপির শরিক দল! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের আগে বিহারে নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত। বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে লালুপ্রসাদ যাদবের হাত ধরতে চলেছেন রামবিলাস পাসওয়ানের ভাই পশুপতি পারস। রামবিলাসের মৃত্যুর পর তাঁর দলের নাম ও প্রতীকের উত্তরাধিকার পান পশুপতি। কিন্তু ভাইপো চিরাগের সঙ্গে ঝামেলার জেরে তিনি বিহারের রাজনীতিতে কোণঠাসা। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে বিরোধী মহাজোটে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন পশুপতি। সূত্রের খবর, লালু জোটে পশুপতির অন্তর্ভুক্তিতে ছাড়পত্র দিয়েছেন।

আসলে মকর সংক্রান্তি উৎসব উপলক্ষে বৃহস্পতিবার লালুর বাড়িতে গিয়েছিলেন পশুপতি। সেখানেই তাঁর মহাজোটে যোগদানের বিষয়টি একপ্রকার পাকা হয়ে গিয়েছে বলে খবর। পশুপতিকে মহাজোটে যোগ দিচ্ছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে লালু সংক্ষেপে বলে দেন, ‘হ্যাঁ’। পশুপতি পারসও বলেন, তিনি নিজেকে এনডিএর শরিক হিসাবেই দেখতেন। কিন্তু বিজেপিই তাঁকে ত্যাগ করেছে।

Advertisement

কিন্তু কেন বিজেপি ত্যাগ করল পশুপতিকে? এর নেপথ্যে চিরাগ এবং পশুপতির বিবাদ। রামবিলাস পাসওয়ানের মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরাধিকার নিয়ে ঝামেলায় দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায় লোকজনশক্তি পার্টি। একদিকে ছিলেন রামবিলাসের ভাই পশুপতি পারস, আরেকদিকে রামবিলাসের ছেলে চিরাগ পাসওয়ান। পশুপতি পারসের সঙ্গে ছিলেন দলের ৬ সাংসদের পাঁচ জনই। আর চিরাগ ছিলেন একা। সেসময় বিজেপি পশুপতির পাশে দাঁড়ায়। কিন্তু ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha 2024) আসতে আসতে বিজেপি বুঝে যায় তাঁদের সেই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। পশুপতির সঙ্গে সাংসদরা থাকলেও জনগণ চিরাগের পাশেই। সেকারণেই লোকসভার লড়াইয়ে চিরাগকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে তাঁর সঙ্গেই আসনরফা করে বিজেপি। চিরাগের দল এলজেপি (রামবিলাস)-কে ছাড়া হয় পাঁচটি আসন। তাঁর কাকা তথা রাষ্ট্রীয় লোক জনশক্তি পার্টির নেতা পশুপতিকুমার পারসের জন্য কোনও লোকসভা আসন ছাড়া হয়নি। ভোটে চিরাগের দলের পাঁচ সাংসদই যেতেন। আর পশুপতি কোনও প্রার্থীই দিতে পারেননি।

তার পর থেকেই এনডিএ-তে গুরুত্ব হারিয়েছেন পশুপতি। বিধানসভাতেও আদৌ বিজেপি তাঁর জন্য কোনও আসন ছাড়বে কিনা স্পষ্ট নয়। সম্ভবত সেকারণেই সময় থাকতে শিবির বদল করতে চলেছেন তিনি। বিজেপি বলছে, পশুপতি শিবির বদলালেও বিশেষ ক্ষতি হবে না তাঁদের। আবার আরজেডির দাবি, পশুপতির সঙ্গে দলিত ভোটের একটা বড় অংশ মহাজোটের দিকে ঝুঁকবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.