সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লস্কর জঙ্গি সলমন রহমান খানকে রোয়ান্ডা থেকে ভারতে ফেরাল এনআইএ। বেঙ্গালুরুতে অস্ত্র সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত থাকায় অভিযুক্ত সে। লুকিয়ে ছিল পূর্ব আফ্রিকার দেশটিতে। অবশেষে তাকে প্রত্যর্পণ করতে পারল ভারত। যা এক দুরন্ত সাফল্য বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে সলমনের বিরুদ্ধে? বেঙ্গালুরুর কারাগারে সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত ছিল সে। মৌলবাদী কার্যকলাপ ও জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে বিস্ফোরক সরবরাহের মতো অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অনেকদিন ধরেই তাকে খুঁজছিলেন গোয়েন্দারা। ইন্টারপোল, রোয়ান্ডা ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (আরআইবি), এনসিবি একযোগে তদন্ত করেছে সলমনকে দেশে ফেরাতে। অবশেষে বুধবার গভীর রাতে রোয়ান্ডার রাজধানী কিগালি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পাক মদতপুষ্ট লস্করের এই জঙ্গিকে। তাকে তুলে দেওয়া হয়েছে এনআইয়ের হাতে। এই প্রত্যর্পণকে এনআইয়ের বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। গত চার বছরে, অর্থাৎ ২০২০ সাল থেকে ধরলে এই নিয়ে ১৭ জন জঙ্গি, যারা বিদেশে আশ্রয় নিয়েছিল তাদের দেশে ফেরাতে সমর্থ হল কেন্দ্রীয় সংস্থা।
উল্লেখ্য. সলমন বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি ছিল। তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বন্দি দশা কাটানোর সময়ই সে সংস্পর্শে আসে টি নাসির। নাসির একজন দোষী সাব্যস্ত জঙ্গি। যাবজ্জীবনের সাজাপ্রাপ্ত ওই জঙ্গির পাল্লায় পড়ে ক্রমেই জঙ্গি হয়ে ওঠে সলমন। তাকে জেল থেকে পালানোয় সাহায্য করে নাসির। জেল থেকে বেরিয়ে রোয়ান্ডা চলে যায় সলমন। ২০২৩ সালে এনআইএ-র অপরাধী তালিকায় তার নাম যুক্ত করা হয়। মামলা রুজু হয় অস্ত্র আইনে। অবশেষে তাকে হাতে পেল ভারত।
সর্বশেষ খবর
-
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিস দমকলের, আদালতের স্থগিতাদেশেও কাটছে না জট
-
নাচে-গানে হুল্লোড়! হাতি তাড়াতে মধ্যরাতে বসছে আসর, এক অন্য ছবি লালগড়ে
-
অত্যাধুনিক একে-২০৩ রাইফেলের গুলি সরবরাহ করবে আদানির সংস্থা, বিরাট চুক্তি সম্পন্ন
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির