Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

ফের গুলির লড়াই কাশ্মীরে, এনকাউন্টারে খতম সেনা আধিকারিক খুনে অভিযুক্ত লস্কর জঙ্গি

উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৪, ১৭:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৪, ১৭:১০

options
link
ফের গুলির লড়াই কাশ্মীরে, এনকাউন্টারে খতম সেনা আধিকারিক খুনে অভিযুক্ত লস্কর জঙ্গি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ভয়ংকর গুলির লড়াইয়ে কাঁপল ভূস্বর্গ। জম্মু ও কাশ্মীরের শোপিয়ান জেলায় এনকাউন্টারে খতম লস্কর-ই-তইবার জঙ্গি। শুক্রবার নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় এই জেহাদি। সেনার আধিকারিক ও পরিযায়ী শ্রমিকদের খুনের অভিযোগ রয়েছে এই লস্কর জঙ্গির বিরুদ্ধে।  

পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, গোয়েন্দা সূত্রে  জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) শোপিয়ান জেলার ছোটিগাম গ্রামে এক জঙ্গির উপস্থিতির খবর পেয়েছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সেই মতো শুক্রবার সকালে ওই অঞ্চলে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেন জওয়ানরা। সন্দেহজনক স্থানে পৌঁছতেই জওয়ানদের উপর এলোপাথারি গুলি চালাতে শুরু করে লুকিয়ে থাকা ওই জঙ্গি। পালটা আক্রমণ শুরু করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। শুরু হয় ভয়ংকর গুলির লড়াই। এর পরই এনকাউন্টারে নিকেশ হয় ওই জঙ্গি। ঘটনাস্থল থেকে ওই জেহাদির দেহ উদ্ধার করে সেনাবাহিনী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: শাহী ইদগাহ মসজিদ চত্বরকে শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি ঘোষণার আর্জি, মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে]

এই বিষয়ে এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, নিহত ওই জঙ্গির নাম বিলাল আহমেদ ভাট। সে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার সদস্য। বিভিন্ন নাশকতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বিলালের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সেনা আধিকারিক উমের ফায়াজ ও দুই পরিযায়ী শ্রমিককে খুনের অভিযোগও রয়েছে এই লস্কর জঙ্গির বিরুদ্ধে। শোপিয়ানের ছোটিগাম গ্রামে কাশ্মীরি পণ্ডিত সুনিল কুমার ভাটের হত্যার ঘটনাতেও যুক্ত ছিল বিলাল। এমনকী যুবকদের জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিতেও প্ররোচনা দিত সে। এদিন ওই জঙ্গিকে নিকেশ করার পর ওই জায়গা থেকে বিভিন্ন অস্ত্র, গোলাবারুদ, একে (AK) সিরিজের রাইফেল ও তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে।  

বলে রাখা ভালো, কয়েকদিন আগেই এক গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছিল, নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টেরর লঞ্চপ্যাডগুলোকে সক্রিয় করেছে পাক সেনা। সেখান থেকে জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তইবার জঙ্গিরা ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.