সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লিভ ইন সম্পর্ককে (Live-in relationship) বিয়ে বলা যায় না। যেহেতু কোনও আইন মেনে দু’জন সম্পর্কে জড়াচ্ছেন না তাই এই সম্পর্কে ডিভোর্সও চাওয়া যায় না। এক মামলায় এমনটাই পর্যবেক্ষণ কেরল হাই কোর্টের।
লিভ ইন সম্পর্ক নিয়ে বিচারপতি মহম্মদ মুস্তাক ও বিচারপতি সোফি থমাসের ডিভিশন বেঞ্চে এক মামলার শুনানি ছিল মঙ্গলবার। দীর্ঘদিন লিভ ইন সম্পর্কে থাকা এক যুগল ডিভোর্সের (Divorce) আবেদন করেছিলেন উচ্চ আদালতে। আর সেখানেই বিচারপতিরা বলেন, কোনও ব্যক্তিগত আইন বা বিশেষ বিবাহ আইনে বিয়ে না করে একসঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে জড়ালে সেখানে আইনের কোনও বাঁধন থাকে না। আর তাই সম্পর্ক থেকে আইনত বিচ্ছেদও চাওয়া যায় না। হাই কোর্ট জানিয়েছে, ডিভোর্স হল আইনি বিয়ে থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া।
[আরও পড়ুন: রাজ্যের ২ কোটি ২৩ লক্ষ পড়ুয়াকে হাম-রুবেলার টিকা, বিরাট সাফল্য মমতা সরকারের]
এক হিন্দু ও এক ক্রিশ্চিয়ান যুগল ২০০৬ সাল থেকে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন। তাঁদের একটি সন্তানও রয়েছে। কিন্তু তাঁরা বিশেষ বিবাহ আইনে ডিভোর্সের আবেদন করলে এক পারিবারিক আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপর মামলা গড়ায় কেরল হাই কোর্টে। আর সেই মামলাতেই এই পর্যবেক্ষণ উচ্চ আদালতের।
[আরও পড়ুন: ভাঙড়ে অশান্তির দিনেই সৌজন্যের ছবি শালবনীতে, দিলীপ ঘোষকে ORS ও ঠান্ডা জল দিলেন TMC কর্মীরা]
সর্বশেষ খবর
-
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পোঁতা হয়েছিল চারাগাছ, নীরবে স্বাধীনতার সাক্ষ্য বহন বাগনানের বৃক্ষত্রয়ীর
-
স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে শচীন-কোহলি, ‘কর্তব্য’ মনে করালেন গম্ভীর, কী বার্তা কলকাতার দুই প্রধানের?
-
পছন্দের চেয়ার না মেলায় ‘গোঁসা’ রাহুল-খাড়গের! এবারও এলেন না লালকেল্লায়
-
কলকাতার রাজপথের ক্যানভাসে ‘প্রতিবাদ আঁকলেন’ জয়া, অগ্নিমিত্রা-ঋতুপর্ণাদের সঙ্গে রাতদখলে আহসানও
-
রানার গ্রেপ্তারির পরই কোচবিহারে জালে ৩ পাক গুপ্তচর, বাংলার বুকে শিকড় ছড়িয়ে কত দূর?