BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রুগণ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঋণ টানতে নাজেহাল! বড়সড় ক্ষতির মুখে LIC

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: September 18, 2019 4:27 pm|    Updated: September 18, 2019 4:32 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলিকে রুগ্ন দশা থেকে উদ্ধার করতে এলআইসিকে ব্যাবহার করতে চাইছিল মোদি সরকার। সেইমতো আইডিবিআই, পিএনবির মতো ব্যাংকে বিনিয়োগ করে রীতিমতো বিপাকে ভারতীয় জীবন বিমা নিগম। শেষ ত্রৈমাসিকে কয়েক হাজার কোটি টাকা লোকসানের মুখ দেখতে হয়েছে সংস্থাকে। এমনটাই দাবি একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের।

[আরও পড়ুন: বহুদলীয় গণতন্ত্রের উপর মানুষ আস্থা হারিয়েছেন, মন্তব্য অমিত শাহর]

আর্থিক মন্দার জেরে গত কয়েকদিন ধরেই লাগাতার নিম্নমুখী রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির শেয়ার। এই তালিকায় রয়েছে এলআইসির মালিকানাধীন আইডিবিআই ব্যাংকও। এই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির ৫১ শতাংশ শেয়ার এখন এলআইসির দখলে। আইডিবিআই ব্যাংক যখন ঋণের ভারে জর্জরিত তখন কেন্দ্রের নির্দেশেই এই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটিকে উদ্ধার করতে আসরে নামে এলআইসি। মোট ২১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ব্যাংকটির ৫১ শতাংশ শেয়ার কেনে জীবন বিমা নিগম। কিন্তু, তাতেও আইডিবিআই ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। বরং, আরও লোকসানে তলিয়ে যায় সংস্থাটি। বাধ্য হয়ে কেন্দ্রের নির্দেশে আবারও টাকা ঢালে এলআইসি। এ মাসের গোড়াতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নির্দেশে ব্যাংকের মূলধন খাতে প্রায় ৯ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৭৪৩ কোটি টাকা যাচ্ছে এলআইসির পকেট থেকে। বাকিটা দেবে কেন্দ্র। অর্থাৎ, সব মিলিয়ে শুধু আইডিবিআই ব্যাংকের পিছনেই প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ফেলেছে ভারতীয় জীবন বিমা নিগম।

[আরও পড়ুন: ১৮ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে হবে অযোধ্যা মামলার শুনানি, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের]

শুধু আইডিবিআই নয়, অন্যান্য যে সমস্ত ব্যাংক অনাদায়ী ঋণের দায়ে ভুগছে তাদের প্রত্যেকেরই পাশে দাঁড়িয়েছে এলআইসি। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ শেয়ার কিনেছে এলআইসি। কেনা হয়েছে, কর্পোরেশন ব্যাংক, এলাহাবাদ ব্যাংক, স্টেট ব্যাংকের শেয়ারও। শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক নয়, কিছু লোকসানে চলা সরকারি সংস্থাতেও টাকা ঢেলেছে ভারতীয় জীবন বিমা নিগম। এর মধ্যে রয়েছে এনটিপিসি, এনএইচপিসি, এনবিসিসি, কোল ইন্ডিয়া। সরকারি সংস্থা এবং ডুবতে থাকা ব্যাংককে বাঁচাতে এলআইসির ব্যাবহার অবশ্য পূর্ববর্তী মনমোহন সরকারই শুরু করেছিল। কিন্তু, মনমোহন জমানার তুলনায় মোদি জমানায় এলআইসির অনেক বেশি টাকা ঢালা হয়েছে ব্যাংকগুলিকে বাঁচাতে। নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার আগে এলআইসির মোট ১১.৯ লক্ষ কোটি টাকা ঢালা হয়েছিল ব্যাংকগুলিকে বাঁচাতে। কিন্তু, মাত্র ৫ বছরে মোদি সরকার প্রায় ২২.৬ লক্ষ কোটি টাকা। মুশকিল হল, যে সমস্ত সংস্থার পিছনে এলআইসি এই টাকা ঢেলেছে তার অধিকাংশই বড়সড় লোকসানে চলছে। কোনও কোনও সংস্থার শেয়ারের দাম ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। ফলে ব্যাপক লোকসান হতে পারে এলআইসির। শুধু গত আড়াই মাসেই প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকা লোকসানের মুখ দেখতে পারে সংস্থাটি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement