Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Ram Temple

৫০ বছর কাটিয়েছেন গুহায়, রাম মন্দির নির্মাণে সেই সন্ন্যাসীই দিলেন এক কোটি টাকা

এত টাকা কোথায় পেলেন 'ফক্কর বাবা'? উঠছে প্রশ্নও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২১, ১৮:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২১, ১৮:৫৩

options
link
৫০ বছর কাটিয়েছেন গুহায়, রাম মন্দির নির্মাণে সেই সন্ন্যাসীই দিলেন এক কোটি টাকা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রায়ে অযোধ্যায় তৈরি হতে চলেছে রাম মন্দির (Ram Temple)। ইতিমধ্যে দেশজু়ড়ে চলছে মন্দির নির্মাণে অর্থ সংগ্রহ। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (Ramnath Kovind) থেকে শুরু করে অনেকেই রাম মন্দির নির্মাণে অনুদান করেছেন। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন স্বামী শংকর দাস নামে ৮৯ বছর বয়সি এক সাধুও। দান করলেন এক কোটি টাকা! শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

জানা গিয়েছে, ‘ফক্কর বাবা’ নামে পরিচিত ওই সাধু দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে গুহায় তপস্যা করছিলেন। কিন্তু এর মধ্যেই জানতে পারেন রাম মন্দির নির্মাণে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি। আর এরপরই অনুদান দেওয়ার ব্যাপারে মনস্থির করেন। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (State Bank of India) ঋষিকেশ শাখায় উপস্থিত হন। জানান, রাম মন্দির নির্মাণে এক কোটি টাকা দান করবেন। উপস্থিত আধিকারিকদের এক কোটি টাকার চেকটিও দেন। এরপর ব্যাংকের আধিকারিকরাই বিশ্ব হিন্দু পরিষদ কর্তৃপক্ষকে ডেকে পাঠান। তাঁদের হাতেই সরাসরি চেকটি তুলে দেন স্বামী শংকর দাস।

Advertisement

 

[আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করল জইশ-উল-হিন্দ, টেলিগ্রাম চ্যাটে মিলল তথ্য]

এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, “আমি গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গুহায় বসবাস করছি। রাম মন্দির নির্মাণে অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি জানতে পেরেই এই অর্থ অনুদানের বিষয়টি মাথায় আসে। এটাই তো আমার সারাজীবনের স্বপ্ন ছিল। ” যদিও প্রথমে নিজের নাম জানাতে চাইছিলেন না। পরে তাঁর কথা অন্যকেও অনুপ্রাণিত করতে পারে, একথা ভেবেই তিনি ছবিও তোলেন। সুদামা সিং নামে এক আরএসএসের ঋষিকেশ শাখার প্রধান এই প্রসঙ্গে বলেন, “স্বামী শংকর দাসের রাম মন্দির নির্মাণে এক কোটি টাকা অনুদানের কথা জানতে পেরেই আমরা ব্যাংকে যাই। সরাসরি যেহেতু তিনি টাকা দান করতে পারবেন না, তাই তিনি চেকটি আমাদের হাতে তুলে দেন। আমরা সেটি ব্যাংকে জমা দিই। ” উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) VHP শাখা এখনও পর্যন্ত ৫ কোটি টাকা অর্থ সংগ্রহ করেছে বলে খবর। যদিও শংকর দাসের এই অনুদানের খবরটি প্রকাশ্যে আসতে কেউ কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন, কেউ গুহায় থেকে কীভাবে ওই ব্যক্তি এই অর্থ সংগ্রহ করলেন?

[আরও পড়ুন: ২৬ জানুয়ারির ব়্যালিতে গুলিই করা হয়েছিল কৃষককে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টকে চ্যালেঞ্জ জানাল পরিবার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.