কমিশনকে তোপ অভিষেকের
'তথ্য অসংগতি' কলামের নাম পালটে দিয়েছে। এবার এটাকে বলছে লজিক্যাল ম্যাপিং ডিসক্রিপান্সি। সুপ্রিম কোর্ট তালিকা প্রকাশ করতে বলেছিল। আজও করেনি। একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ৬টি চিঠি লিখেছেন, নির্বাচন কমিশন একটিও জবাব দেয়নি। এটা কেমন ব্যবহার? ১২ রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে। এতে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু এত তাড়াহুড়ো কেন? আপনারা ২০২৪ থেকে করলেন না কেন? এখানে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের কোনও না কোনও পরিজন প্রাণ হারিয়েছে এই প্রক্রিয়ার জন্য। সুষ্ঠুভাবে সময় নিয়ে পরিকল্পনা করে করলে এটা হত না। সবথেকে বেশি নাম কাটা গিয়েছে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলোতে। সেখানে মাইক্রো অবজার্ভার পাঠালেন না কেন? ইআরওদের কথা শুনছেন না।
কাল কি সুপ্রিম কোর্টে থাকবেন? বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেস কি জোট করবে? মমতাকে প্রশ্ন
এনিয়ে কোনও কথা বলব না, কারণ মামলাটি বিচারাধীন। তৃণমূল একাই লড়াই করে। কংগ্রেস ওদের মতো লড়াই করবে। জানা গিয়েছে, আগামিকাল সুপ্রিম কোর্টে হাজির থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। নিরাপত্তা সংক্রান্ত ছাড়পত্রও নাকি পাওয়া গিয়েছে।
কমিশনের অভিযোগের পালটা দিলেন মমতা
সোমবার নির্বাচন ভবনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মমতা। তারপরই তোপ দাগেন তিনি। পালটা কমিশনের বয়ান, 'SIR-এ হস্তক্ষেপ বরদাস্ত নয়, আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ' মমতার অভিযোগের জবাব দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে প্রকাশ্যে ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা। ইআরও (এসডিও/বিডিও)-দের অফিসে হামলা চালানো হচ্ছে। কমিশনের সঙ্গে আলোচনা না করেই ৩ জন রোল অবজার্ভারকে বদল করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।' আজ মঙ্গলবার সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন তিনি।
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব মুখ্যমন্ত্রী
সীমান্তে বিএসএফ রয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের আটকানোর দায়িত্ব কার। কার নিয়ন্ত্রণে সীমান্ত। কে দেখে। অসম, ত্রিপুরাও বাংলাদেশ সীমান্তে। রোহিঙ্গারা ওদিক দিয়ে ঢুকছে। আপনাদের দায়িত্ব সেটা দেখা। শুধু বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আপনাদের টাকা আছে। প্রচারে খরচ করছেন। কৃষকদের জন্য নয়, মহিলাদের জন্যও নয়। বাংলাদেশের ছবি দেখাচ্ছেন বাংলার বলে।
কমিশনকে আক্রমণ মমতার
আমি কমিশনকে ৬টি চিঠি লিখেছি। জবাব পাইনি। সুপ্রিম কোর্টের কথাও মানছে না কমিশন। কোনও পথ খোলা ছিল না। আমি বিচারব্যবস্থাকে সম্মান করি। মামলা বিচারাধীন। কিছু বলতে চাই না। তবুও বলছি, শেষ এসআইআর হয়েছে ২০০২ সালে, পারপর দুই দশক কেটেছে। এবার নির্বাচন। তাই এসআইআর। কোনও পরিকল্পনা নেই। পরিকাঠামো নেই। ৪টি রাজ্যে ভোট। শুধু বিরোধী রাজ্যে এসআইআর। অসমে হচ্ছে না।
মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় বাংলার বিশেষ পুলিশ দল
দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়াতে সোমবার গভীর রাতেই রাজধানী পৌঁছয় রাজ্য পুলিশের বিশেষ দল। গতকাল দিল্লিতে যে নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়, সেদিকে নজর রেখেই মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তা বাড়ানোর প্রয়োজন বলেই সিদ্ধান্ত নেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তারা। আজ সকাল থেকেই বঙ্গভবনের নিরাপত্তায় রাজ্য পুলিশের ২২ জনের একটি দল রয়েছে। দলের শীর্ষে ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসার। এছাড়াও অন্যান্য পদমর্যাদার অফিসার ও কনস্টেবলও থাকছেন। রয়েছেন মহিলা পুলিশকর্মীও।