'রামমনোহরের স্বপ্ন পদপিষ্ট করে দিয়েছে বিরোধীরা'
মোদি বলেন, "দেশের স্বার্থ যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়, কংগ্রেস তার বিরোধিতা করে। এটাই কংগ্রেসের বিরোধী রাজনীতি। কংগ্রেস আধার, জিএসটির বিরোধিতা করেছে। তিন তালাক, আর্টিকল ৩৭০-এর বিরোধিতা করেছিল। ইউসিসি-র বিরোধিতাও করেছে কংগ্রেস। সংস্কারের কথা শুনলেই বিরোধিতার ঝুলি নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। এক দেশ-এক ভোটের বিরোধিতা করে কংগ্রেস। সিএএ-রও বিরোধিতা করেছে। কংগ্রেস মাওবাদী হিংসা সমাপ্ত করার প্রয়াসেও বাধা দিয়েছে।"
'পরিবারবাদী পার্টি দেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে'
মোদি বলেন, "মহিলাদের অন্ধকারে ঠেলে দিতে রাজনৈতিক চক্রান্ত কংগ্রেসের। ভ্রুণ হত্যা করেছে কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূল। দেশের মানুষ এদের ক্ষমা করবেন না। লাগাতার মিথ্যে বলে চলেছেন বিরোধীরা। বিভাজনের রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে বিরোধীরা। যে রাজনীতি ইংরেজদের থেকে শিখেছে কংগ্রেস। দেশে আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে সরকার প্রথমদিন থেকে বলে এসেছে, কোনও রাজ্যই অধিক সুবিধা পাবে না এতে। সব রাজ্যের আসন সমানভাবে বৃদ্ধি পাবে। এই বিল প্রত্যেক রাজ্যের কাছেই একটি বিশেষ সুযোগ ছিল। বিরোধীরা নিজেদের সুবিধার্থে নিজের রাজ্যের মানুষকে বঞ্চিত করল।"
'বিরোধীদের আসল চেহারা প্রকাশ্যে'
মোদি বলেন, 'আমি ভেবেছিলাম কংগ্রেস নিজেদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করবে। সেই সুযোগ হাতছাড়া করল কংগ্রেস। পরজীবীর মতো আঞ্চলিক দলের উপর ভরসায় নিজেদের বাঁচিয়ে রেখেছে। বিরোধী দলগুলি এতবছর ধরে একই বাহানা দিয়ে চলেছে। মহিলাদের অধিকারে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বারবার। বিরোধীদের এই রাজনৈতিক কৌশল দেশের জনগণ বুঝতে পেরে গিয়েছেন।'
'বিরোধীদের পাপের ক্ষমা নেই'
মোদি বলেন, "নারীশক্তি বিল আটকে বিরোধীরা যে ভুল করল, তার জন্য দেশের নারীরা তাদের কখনও ক্ষমা করবেন না। সকলকে একত্রিত করার প্রচেষ্টা ছিল এই বিল। নারীশক্তি বন্দন সংশোধন উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিম সব রাজ্যেকে শক্তিবৃদ্ধির প্রয়াস ছিল। সমান অনুপাতে শক্তিবৃদ্ধির কৌশল ছিল এই বিল। এই প্রয়াসের বিরুদ্ধে দেশের সামনে গণহত্যা করে দিল কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূল।"
‘ভাষণ শুনে রেশন পাবেন না’, খোঁচা মমতার
আজ রাতে ফের জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অতীতে এই ধরনের ভাষণ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা করা একাধিক সিদ্ধান্তের জেরে আমজনতাকে ভুগতে হয়েছে। সেই স্মৃতি উসকে এবার আগে থেকেই মোদির বার্তা নিয়ে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, ‘মোদির ভাষণ মানেই জুমলা।’
বাংলা ও তামিলনাড়ুর ভোটের মুখে ফের জাতির উদ্দেশে ভাষণ
বাংলা ও তামিলনাড়ুর ভোটের মুখে ফের জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নোট বাতিল এবং লকডাউনের ধাঁচে আজ রাত সাড়ে আটটায় দেশবাসীকে বার্তা দেবেন মোদি। তবে ঠিক কী নিয়ে ভাষণ দেবেন প্রধামমন্ত্রী? সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। একাধিক ইস্যু নিয়ে জল্পনা শোনা যাচ্ছে। মহিলা সংরক্ষণ আইন সংসদে ব্যর্থ হওয়ার পর, সে নিয়ে কোনও বার্তা দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। কোনও অর্ডিন্যান্স এনে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার কথা ভাবা হতে পারে, বা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং জ্বালানির সংকট নিয়ে বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।