সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একা অজিত পওয়ার নন, বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাতে রাজি ছিলেন শরদ পওয়ারও! লোকসভা ভোটের মুখে রীতিমতো বোমা ফাটালেন এনসিপি (অজিত পওয়ার) গোষ্ঠীর নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল। তাঁর দাবি, বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানোর ব্যাপারে ৫০ শতাংশ রাজি হয়ে গিয়েছিলেন শরদ পওয়ার।
এনসিপির অজিত শিবিরের এই নেতার বক্তব্য,”অজিত পওয়ার সদলবলে গত বছর ২ জুলাই মন্ত্রিসভায় শপথ নিলেন। আমরা ১৫ এবং ১৬ জুলাই শরদ পওয়ারের সঙ্গে দেখা করলাম। তাঁকে আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে অনুরোধ করেছিলাম। পরে অজিত পওয়ার এবং শরদ পওয়ার আলাদা করে পুণেতে দেখা করেন। শরদজি অর্ধেক রাজি হয়েও গিয়েছিলেন। কিন্তু উনি শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসেন। এটা উনি সবসময় করে থাকেন।”
[আরও পড়ুন: বিজেপি-তৃণমূলের লড়াইয়ে নেপোয় মারে দই! দলীয় কার্যালয় থেকে চেয়ার নিয়ে চম্পট চোরের]
উল্লেখ্য, গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে এনসিপিতে (NCP) গোষ্ঠী কোন্দল চরমে পৌঁছায়। সদলবলে শরদ পওয়ারের (Sharad Pawar) এনসিপি থেকে বেরিয়ে বিজেপির হাত ধরেন ভাইপো অজিত পওয়ার। মহারাষ্ট্র মন্ত্রিসভায় যোগ দেন এনসিপির ৯ বিধায়ক। অজিত নিজে উপমুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষুব্ধ শরদ অজিত শিবিরের একাধিক নেতাকে বরখাস্ত করেন। দাবি করেন, আসল এনসিপি তাঁরাই। বিষয়টি গড়ায় নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত এনসিপি ভেঙে যায়। অজিত গোষ্ঠীকে আসল এনসিপি হিসাবে স্বীকৃতি দেয় নির্বাচন কমিশন।
[আরও পড়ুন: প্রচারে বেরিয়ে মহিলাদের চুমু, পিঠে হাত খগেনের! বিজেপি প্রার্থীর কাণ্ডে বিতর্ক তুঙ্গে]
যদিও মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলে কানাঘুষো শোনা যায়, ভাইপোর এই বিদ্রোহে সায় ছিল শরদেরও। সেটাই এবার প্রকাশ্যে দাবি করলেন প্রফুল্ল প্যাটেল। যদিও শরদ গোষ্ঠী বরাবর বলে আসছে, তাদের মনে কোনওরকম সংশয় নেই। তাঁদের লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপিকে তাঁরা হারাবেনই। ভোটের মুখে এসব বলা হচ্ছে, বিভ্রান্তি ছড়াতে।
সর্বশেষ খবর
-
সভাপতি পদে দায়িত্ব নিয়েই মহামেডানকে ঋণমুক্ত করার আশ্বাস হুমায়ুনের, বার্তা ‘রাজনীতি’ নিয়েও
-
আগামী সপ্তাহেই সংসদে ‘অপারেশন লোটাস’! মমতার নির্দেশে হঠাৎ দিল্লিতে অভিষেক
-
‘ওয়াকা ওয়াকা’র নস্ট্যালজিয়া উসকে ফিরছে শাকিরা ম্যাজিক, কোন গানে ‘ফিফা’র মঞ্চ মাতাবেন নোরা?
-
‘ভাইকিং’ পোশাকে ফোটোশুট হালান্ডদের, বিশ্বকাপের আগে বিপাকে নরওয়ে
-
কারা পাবেন আবাসের বাড়ি? সুবিধাভোগী যাচাইয়ে ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা, রয়েছে ‘সেলফ সার্ভে’র সুবিধাও