Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Debashish Dhar

ধাক্কা গেরুয়া শিবিরে, বিজেপির দেবাশিস ধরের মামলা ফেরাল সুপ্রিম কোর্ট

আদালতের পর্যবেক্ষণ, "আপনি সময় মতো 'নো ডিউস' সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন জানাননি। মনোনয়নপত্র বাতিলের মুহূর্তে আবেদন জানিয়েছেন। আপনি তো সাধারণ মানুষ নন, আইপিএস। নিয়মকানুন জানার কথা ছিল। এক্ষেত্রে নির্বাচনী আধিকারিক এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই গ্রাহ্য হবে। আদালতের কিছু করার নেই।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৪, ১৬:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৪, ১৬:২৭

options
link
ধাক্কা গেরুয়া শিবিরে, বিজেপির দেবাশিস ধরের মামলা ফেরাল সুপ্রিম কোর্ট zoom
Advertisement

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েও লাভ হল না। বিজেপির দেবাশিস ধরের মামলা ফিরিয়ে দিল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষন, “আপনি সময় মতো ‘নো ডিউস’ সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন জানাননি।” আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাঁকে কমিশনের কাছে আবেদনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কোচবিহারের (Cooch Behar) পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন আইপিএস দেবাশিস ধর। একুশের বিধানসভা ভোটে কোচবিহারের শীতলকুচি কাণ্ডের পর তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। পরে সাসপেনশন প্রত্যাহার হলেও কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে রাখা হয় তাঁকে। সেই আইপিএস অফিসার আচমকা ইস্তফা দিয়ে রাজনৈতিক ইনিংস শুরু করেন। ২০২৪ সালে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিট পান।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার পরই বিক্ষোভের মুখে রেখা পাত্র, লাঠিসোঁটা নিয়ে তাড়া মহিলাদের!]

তবে তাঁর মনোনয়ন যে বাতিল হতে পারে তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। পরবর্তীতে আশঙ্কা সত্যি করে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায় তাঁর। মনোনয়ন বাতিলের পর কলকাতা হাই কোটের দ্বারস্থ হন বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর। তবে তাঁর আবেদন গ্রহণই করেননি বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। সেই মামলা ফিরিয়ে দিল বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আপনি সময় মতো ‘নো ডিউস’ সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন জানাননি। মনোনয়নপত্র বাতিলের মুহূর্তে আবেদন জানিয়েছেন। আপনি তো সাধারণ মানুষ নন, আইপিএস। নিয়মকানুন জানার কথা ছিল। এক্ষেত্রে নির্বাচনী আধিকারিক এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই গ্রাহ্য হবে। আদালতের কিছু করার নেই।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.