Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Azam Khan

ভোটের মধ্যেই অস্বস্তিতে অখিলেশ, ‘বাহুবলী’ আজম খানকে দশ বছরের সাজা

২০১৯ সালে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে বর্তমানে জেলবন্দি আজম খান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৪, ১৯:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৪, ১৯:৪৭

options
link
ভোটের মধ্যেই অস্বস্তিতে অখিলেশ, ‘বাহুবলী’ আজম খানকে দশ বছরের সাজা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৬ সালে দুঙ্গারপুর উচ্ছেদের ঘটনায় আরও একটি মামলায় সপা নেতা আজম খানকে ১০ বছরের সাজা শোনাল আদালত। পাশাপাশি এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ১৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর জেলে বন্দী আজম। সেখানেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাঁকে সাজা শোনায় উত্তরপ্রদেশের এমপি এমএলএ আদালত। শেষ দফার লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে সমাজবাদী পার্টি।

উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টির (Samajwadi Party) শাসনকালে আসরা আবাস প্রকল্পে সরকারি আমলাদের জন্য বাড়ি বানানো হয় দুঙ্গারপুরে। কিন্তু আগে থেকেই এই জায়গায় অনেকে বসবাস করছিলেন। তবে বাহুবলী নেতা আজম খানের (Azam Khan) নেতৃত্বে ২০১৬ সালে ওই জমিকে সরকারি জমি দেখিয়ে সব বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়। পাশাপাশি লুটপাটেরও অভিযোগ ওঠে। ২০১৯ সালে এই ঘটনায় রামপুরের গঞ্জ থানায় এক ডজনের বেশি আলাদা আলাদা মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগ ওঠে, সপা সরকারের আমলে আজম খানের নির্দেশে পুলিশ ও এসপিরা বাড়ি তৈরির জন্য জোর করে বাড়ি খালি করেন। বুলডোজার দিয়ে সেখানে তৈরি সব বাড়িঘর ভেঙে ফেলা হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পুঞ্চ হাইওয়ে থেকে খাদে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, কাশ্মীরের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত কমপক্ষে ১৫]

সেই ঘটনাতেই ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর অবরার নামে এক ব্যক্তি আজম খান, অবসরপ্রাপ্ত সিও আলে হাসান ও ঠিকাদার বরকত আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর এই তিনজন তাঁর বাড়িতে এসে ব্যাপক মারধর করে তাঁকে। এমনকী খুনের হুমকি দেয়। এর পর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় তাঁর বাড়ি। এই মামলায় গত ২৯ মে আজম খান ও বরকত আলিকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় আজমকে ১০ বছর ও বরকতকে ৭ বছরের সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গত দুবছরে মোট ৬টি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে শাস্তি পেলেন সপার বাহুবলী নেতা।

[আরও পড়ুন: ৩৫ লক্ষ টাকার সোনা পাচার! দিল্লি বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার শশী থারুরের প্রাক্তন আপ্তসহায়ক]

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে বর্তমানে জেলবন্দি আজম খান। ৭ বছরের সাজা হয়েছে তাঁর। পাশাপাশি আজমের স্ত্রী তানজিন ফাতিমা ও ছেলে আবদুল্লা আজমকেও ওই মামলায় ৭ বছরের সাজা শুনিয়েছে আদালত। বর্তমানে আলাদা আলাদা জেলে বন্দি পুরো পরিবার। উত্তরপ্রদেশের সোনাপুর জেলে রয়েছেন আজম খান। সোমবার দুঙ্গারপুর মামলায় সাজা ঘোষণার সময় ভারচুয়ালি সেখানে উপস্থিত ছিলেন একদা উত্তরপ্রদেশের এই বাহুবলী নেতা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.